এবারই প্রথম নাদিয়া-জোভানে ‘চাইল্ডহুড লাভ’

এবারই প্রথম নাদিয়া-জোভানে ‘চাইল্ডহুড লাভ’


নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী নাদিয়া আহমেদ অভিনয় জীবনের এই সময়ে এসে একটু ব্যতিক্রম ধরনের এবং চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয়ে মনোযোগী হয়ে উঠেছেন। যে কারণে গতানগুতিক ধারার নাটকে এখন তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাছাড়া এই সময়ের তরুণ নির্মাতারাও নাদিয়া আহমেদকে নিয়ে ভিন্ন ধরনের গল্পে কাজ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

তরুণ নির্মাতাদের আগ্রহের সেই ধারাবাহিকতায় এবার নির্মাতা খাইরুল পাপন নাদিয়ার বিপরীতে প্রথমবারের মতো এই সময়ের আলোচিত অভিনতো জোভানকে নিয়ে নাটক নির্মাণ করলেন। নাটকের নাম ‘চাইল্ডহুড লাভ’। গত ২৮ ও ২৯ এপ্রিল রাজধানীর কাওলা ও উত্তরায় নাটকটির বিভিন্ন দৃশ্য ধারনের কাজ শেষ হয়েছে।

নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে নাদিয়া বলেন, ‘এখন আমি গল্প এবং চরিত্রের প্রতি আগের চেয়ে বেশি মনোযোগী হয়ে উঠেছি। নিজের গেটআপেও বেশ পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। সব মিলিয়ে আমি আমার নিজের অবস্থানে আরো মনোযোগী হচ্ছি। সেই যে কারণে এই নাটকটিতে কাজ করা। জোভান খুব ভালো একজন অভিনেতা। ভালোলাগার বিষয় এই যে সহকর্মী যখন ভালো অভিনয় করেন তখন নিজের অভিনয়ও অনেক ভালো হয়।’

জোভান বলেন, ‘এবারই প্রথম নাদিয়া আপুর সঙ্গে কাজ করলাম। আমার নিজের ভেতর সবসময়ই সিনিয়র শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার একটা লোভ আছে। যে কারণে নাদিয়া আপুর সঙ্গে কাজ করাটা আমি দারুণভাবে উপভোগ করেছি। তাছাড়া তিনি খুবই সহযোগিতা পরায়ণ একজন সহকর্মী। আমি তো তার সঙ্গে কাজ করে এককথায় মুগ্ধ। ভিন্ন ধরনের গল্পের এই কাজটি নিয়ে আমি দারুণ আশাবাদী।’

‘চাইল্ডহুড লাভ’ নাটকটি আসছে ১৫ মে শনিবার রাত ১১টায় আরটিভিতে প্রচার হবে। উল্লেখ্য, নাদিয়া এই মুহুর্তে ঈদের নাটকে কাজ করার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন। অনুরূপভাবে জোভানও পাঁচটি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন।

হিরো আলম পুলিশের হাতে গ্রেফতার !


বুলবুলি নামের একটি মেয়েকে কিছু বখাটে ছেলে উত্ত্যক্ত করলে,ঘটনাচক্রে সেখানে হাজির হয় এই সময়ের ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব,এ ব্যাপক জনপ্রিয় হিরো আলম ।
বখাটে ছেলেদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে,হিরো আলম বখাটে ছেলেদের কে ব্যাপক মারধর করে ।
সেখানে পুলিশ হাজির হয় এবং হিরো আলম কে গ্রেফতার করে । 
বুলবুলির সিকারোক্তিতে পুলিশ হিরো আলম কে ছেড়ে দেয় এবং বখাটেদের গ্রেফতার করে ।
এই ঘটনাটি ঘটেছে--
মঈন বিশ্বাস পরিচালিত 'মারছক্কা' সিনেমার একটি দৃশ্যে ।
এই সিনেমাটি দর্শক খুব শিঘ্রই সিনেমা হলে দেখতে পাবে ।

এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন যারা--
রোহান,কোয়েল,ওমরসানী, অরুনা বিশ্বাস,আলেকজান্ডার বো,সাদেক বাচ্চু, রাবিনা বৃষ্টি,তন্দ্রা প্রাবন,জাদু আজাদ,জোবায়ের,জ্যোতি,তনু পান্ডে,অন্যান্য ।
সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে,জ্যোতি ফিল্মস্ ইন্টারন্যাশনাল এর ব্যানারে ।
সিনেমাটির প্রযোজক ও পরিচালক মঈন বিশ্বাস বলেন-
সিনেমাটির গল্প ও উপস্থাপনে ব্যাপক নতুনত্ব রেখেছি,আশা করি দর্শকদের ভালো লাগবে ।

হিরো আলম বলেন-
এটি আমার প্রথম চলচিত্র,আমি কখনও কল্পনা করিনি যে আমিচলচিত্রে কাজ করার সুযোগ পাবো ।
সত্যিই আমি প্রযোজক ও পরিচালক মঈন বিশ্বাসের কাছে কৃতজ্ঞ আশা করি সবাই এই সিনেমাটি হলে গিয়ে দেখবেন।

অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ শাকিব খান

 
বাংলা চলচ্চিত্রের অস্থিরতা যেন কমছেই না। বরং দিন যত গড়াচ্ছে সেটা আরো জটিল হয়ে দেখা দিচ্ছে। কেননা বাংলা চলচ্চিত্রের বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করেছে পরিচালক সমিতি।
 
রোববার থেকে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকল সংগঠনের সদস্যরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কোনো সিনেমার শুটিং ও ডাবিংয়ের কাজে অংশগ্রহণ করবেন না বলে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। রোববার বিকেল ৫টায় বিএফডিসিতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির কার্যালয়ে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকল কুশলীদের সংগঠনের যৌথ এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সভাতেই এমন সিদ্বান্ত নেওয়া হয়। এরপরই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির প্যাডে লিখিত একটি বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। তবে শিল্পী সমিতি ও প্রযোজক সমিতি পরিচালক সমিতির এমন সিদ্ধান্তে একাত্মতা ঘোষণা করেনি বলে জানা গেছে। 
এ প্রসঙ্গে চলচ্চিত্র পরিচালক বদিউল আলম খোকন বলেন, ‘শাকিব খান বলেছেন, অ্যাসোসিয়েশন কী বলল না বলল তাতে আমার কিছু আসে-যায় না। শাকিব যদি স্বীকার করেন, আমার দেশের টেকনিশিয়ানরা ভালো কাজ করেন। তবেই আমরা তাঁর সঙ্গে কাজ করব। শাকিব বলছেন, আমিই (মহাসচিব) নাকি সব করেছি। এখানে পরিচালক সমিতির মহাসচিব আমি। এখানে আমাকে সব কিছুতে সাইন করতে হবে। এটা আমার সাংবিধানিক দায়িত্ব। আমি ছাড়া ১৭ জন আছেন। সবাই এই সিদ্ধান্তে একমত হয়েছেন। আমার ব্যক্তিগত কিছু হলে তারা একমত হতেন না।’
 
এদিকে পরিচালক সমিতির সিদ্ধান্ত অমান্য করে শাকিব খানকে নিয়ে শুটিং করায় 'রংবাজ' ছবির পরিচালক শামীম আহমেদ রনির সদস্য পদ বাতিল করেছে দেশের চিত্রনির্মাতাদের একমাত্র সংগঠন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি।
সরাসরি গাইবেন এস ডি রুবেল

সরাসরি গাইবেন এস ডি রুবেল


বেশ কিছু জনপ্রিয় গান নিয়ে এশিয়ান টিভির নিয়মিত আয়োজন‘এশিয়ান মিউজিক’অনুষ্ঠানে সরাসরি গান গাইবেন এস ডি রুবেল।
 পাশাপাশি থাকবে দর্শকদের পছন্দের মিউজিক ভিডিও। প্লে-লিস্টের মিউজিক ভিডিওর তালিকা থেকে দর্শক তাদের পছন্দ অনুযায়ী ফোন ও এসএমএস এর মাধ্যমে অনুরোধ জানাতে পারেন, কথা বলতে পারেন অতিথির সাথে।

এছাড়াও নতুন গান, নতুন অ্যালবাম সম্পর্কে থাকবে নানা খোঁজখবর।
তানভীর তন্ময়ের প্রযোজনায় অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারিত হবে আজ রাত (শনিবার) ১১ টায় ।

কণ্ঠশিল্পী এস ডি রুবেল ‘এশিয়ান মিউজিক’ অনুষ্ঠানে সরাসরি গান গাইবেন। রবিবার রাত ১১টায় অনুষ্ঠানটি এশিয়ান টিভিতে প্রচার হবে। - See more at: http://beta.thereport24.com/article/14725/index.html#sthash.M2v23qV1.dpufকণ্ঠশিল্পী এস ডি রুবেল ‘এশিয়ান মিউজিক’ অনুষ্ঠানে সরাসরি গান গাইবেন। রবিবার রাত ১১টায় অনুষ্ঠানটি এশিয়ান টিভিতে প্রচার হবে।
কণ্ঠশিল্পী এস ডি রুবেল ‘এশিয়ান মিউজিক’ অনুষ্ঠানে সরাসরি গান গাইবেন। রবিবার রাত ১১টায় অনুষ্ঠানটি এশিয়ান টিভিতে প্রচার হবে। - See more at: http://beta.thereport24.com/article/14725/index.html#sthash.M2v23qV1.dpuf
কণ্ঠশিল্পী এস ডি রুবেল ‘এশিয়ান মিউজিক’ অনুষ্ঠানে সরাসরি গান গাইবেন। রবিবার রাত ১১টায় অনুষ্ঠানটি এশিয়ান টিভিতে প্রচার হবে। - See more at: http://beta.thereport24.com/article/14725/index.html#sthash.M2v23qV1.dpuf

নতুন মিউজিক ভিডিও নিয়ে আসছেন স্বপ্নীল সোহেল

আবারোও নতুন মিউজিক ভিডিও নিয়ে শ্রোতাদের সামনে হাজির হচ্ছেন গায়ক ও মডেল  স্বপ্নীল সোহেল, অডিও কোম্পানী সুরাঞ্জলীর ব্যানারে বৈশাখে রিলিজ হওয়া মন বলেছে এলবামের উপমা এবং  স্বপ্নীল সোহেল এর গাওয়া টাইটেল গান মন বলেছে গানটির বিগ বাজেটের ভিডিও নির্মান করলেন। মুশফিক লিটুর সংগীতে কথা লিখেছেন, হানিফ মজুমদার, সুর করেছেন স্বপ্নীল সোহেল। 
সিনেমাগ্রাফার ছিলেন রাজন হোসাইন, এডিট- সজিবুজ্জামান দিপু, কালার- বিখ্যাত কালারিস্ট আশিকুজ্জামান অপু, ডিরেক্টার- আল আমিন।এই ভিডিওতে  স্বপ্নীল সোহেলকে দেখা যাবে সম্পূর্ণ নতুন লুকে।

 এ প্রসংগে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার আগে দুটি মিউজিক ভিডিও রিলিজ হয়েছিল আমার সবকিছুতেই তুমি, এবং সপ্নের হাত ধরে, শ্রোতাদের কাছে দারুন প্রসংশিত হয়েছি, তাদের কথা মাথায় রেখেই এ কাজটি করেছি, এটুকু বলতে পারি গানটি দেখে কেউ আকঘেয়েমি বিরক্তি হবেনা,একেভারেই ভিন্ন সাধ পাবে।

আবারো শুভ-মাহি জুটি


বদিউল আলম খোকন পরিচালিত ‘তুমি আমার প্রিয়া’ ছবিতে আবার জুটি হচ্ছেন আরেফিন শুভ ও মাহিয়া মাহি। চলতি বছরের শেষের দিকে এই ছবির শুটিং শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে পরিচালক বদিউল আলম খোকন বলেন, মাহি ও শুভকে নিয়ে নতুন ছবিটি নির্মাণ করতে যাচ্ছি। ওদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি না করলেও এ বিষয়ে দুজনের সঙ্গেই চূড়ান্ত কথা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতেই শুটিং শুরু করার কথা ছিল; কিন্তু গল্পের পটভূমি পরিবর্তিত হওয়ায় তা আর সম্ভব হয়নি। আশা করি, এবার যথাসময়ে শুরু করতে পারব।
শুভ বলেছেন, ছবিটি নিয়ে খোকন ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হতে পারে বিষয়টি।
সংগীত ব্যক্তিত্ব লাকী আখন্দ আর নেই..

সংগীত ব্যক্তিত্ব লাকী আখন্দ আর নেই..

 http://cdn.banglatribune.com/contents/cache/images/900x0x1/uploads/media/2016/08/16/3ce220dfbde17e73208bc28381567feb-57b2d01100618.jpg


টানা আড়াই মাস হাসপাতালজীবন শেষে গেল সপ্তাহে আরমানিটোলার নিজ বাসায় ফিরেছিলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লাকী আখন্দ। এতদিন ভালোই ছিলেন। তবে আজ (২১ এপ্রিল) দুপুর নাগাদ তার শরীরের অবনতি ঘটে। দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় মিটফোর্ড হাসপাতালে। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকী আখন্দকে মৃত ঘোষণা করেন। ইন্না…রাজিউন।  বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ‘শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশন’ সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী এরশাদুল হক টিংকু। যিনি লাকী আখন্দকে নিয়মিত দেখভাল করছিলেন।  গত ৫ ফেব্রুয়ারি বরেণ্য এ শিল্পীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিএসএমএমইউ-এর সেন্টার ফর প্যালিয়েটিভ কেয়ারের ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে অধ্যাপক নেজামুদ্দিন আহমেদের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গেল সপ্তাহে শরীরের অবস্থা উন্নতি হলে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।  প্রসঙ্গত, গুণী এই সংগীতজ্ঞ অনেক দিন ধরেই মরণব্যাধী ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। ছয় মাসের চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ২০১৬ সালের ২৫ মার্চ দেশে ফেরেন তিনি। সেখানে কেমোথেরাপি নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছিল তার। একই বছরের জুনে আবারও থেরাপির জন্য ব্যাংকক যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে পরে আর তার সেখানে যাওয়া হয়ে উঠেনি। অসুস্থতার প্রথম থেকেই লাকী আখন্দ ও তার পরিবার কোনও রকম আর্থিক সহযোগিতা গ্রহণের বিষয়ে বেশ কঠোর ছিলেন। দেশের শীর্ষ শিল্পীদের উদ্যোগে সহযোগিতা করতে চাইলেও বিনয়ের সঙ্গে লাকী আখন্দ সেটি গ্রহণে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

গুণী কিংবা অভিমানী এই মানুষটি অন্যের সাহায্য-সহযোগিতায় নিজের চিকিৎসা চালাতে মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না। তবে ব্যাংককে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় এই সংগীতকারের চিকিৎসার জন্য পাঁচ লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রীয় ভালোবাসা হিসেবে সেটি তিনি গ্রহণ করেছেন স্বাচ্ছন্দে। লাকী আখন্দের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে— ‘এই নীল মনিহার’, ‘আমায় ডেকো না’, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘মামনিয়া, ‘বিতৃঞ্চা জীবনে আমার’, ‘কি করে বললে তুমি’ ‘লিখতে পারি না কোনও গান, ‘ভালোবেসে চলে যেও না’ প্রভৃতি।  লাকী আখন্দ, আধুনিক বাংলা সঙ্গীতের খ্যাতিমান শিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। শৈশব কেটেছে ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকার পাতলা খান লেনে। শৈশবেই তার সংগীতশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ। মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে এইচএমভি পাকিস্তানে সুরকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। সুরকার হিসেবে আরো কাজ করেছেন এইচএমভি ভারত এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রেও।  স্বাধীনতার পর পর নতুন উদ্যমে বাংলা গান নিয়ে কাজ শুরু করেন। তার নিজের সুর করা গানের সংখ্যা দেড় হাজারেরও বেশি। শিল্পীর সহোদর ক্ষণজন্মা হ্যাপী আখন্দের সাথে ছিলো তার আত্মার সম্পর্ক। ভাইয়ের মৃত্যুর পর দীর্ঘকাল তিনি নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন। দুজনের যৌথ প্রয়াসে সূচিত হয়েছিলো বাংলা গানের এক নতুন ধারা

লাকী আখন্দ আর নেই

প্রকাশের সময়: ৭:৩৩ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | এপ্রিল ২১, ২০১৭
কারেন্টনিউজ ডটকমডটবিডি:
টানা আড়াই মাস হাসপাতালজীবন শেষে গেল সপ্তাহে আরমানিটোলার নিজ বাসায় ফিরেছিলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লাকী আখন্দ। এতদিন ভালোই ছিলেন। তবে আজ (২১ এপ্রিল) দুপুর নাগাদ তার শরীরের অবনতি ঘটে। দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় মিটফোর্ড হাসপাতালে। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকী আখন্দকে মৃত ঘোষণা করেন। ইন্না…রাজিউন।
বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ‘শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশন’ সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী এরশাদুল হক টিংকু। যিনি লাকী আখন্দকে নিয়মিত দেখভাল করছিলেন।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি বরেণ্য এ শিল্পীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিএসএমএমইউ-এর সেন্টার ফর প্যালিয়েটিভ কেয়ারের ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে অধ্যাপক নেজামুদ্দিন আহমেদের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গেল সপ্তাহে শরীরের অবস্থা উন্নতি হলে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, গুণী এই সংগীতজ্ঞ অনেক দিন ধরেই মরণব্যাধী ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। ছয় মাসের চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ২০১৬ সালের ২৫ মার্চ দেশে ফেরেন তিনি। সেখানে কেমোথেরাপি নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছিল তার। একই বছরের জুনে আবারও থেরাপির জন্য ব্যাংকক যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে পরে আর তার সেখানে যাওয়া হয়ে উঠেনি।
অসুস্থতার প্রথম থেকেই লাকী আখন্দ ও তার পরিবার কোনও রকম আর্থিক সহযোগিতা গ্রহণের বিষয়ে বেশ কঠোর ছিলেন। দেশের শীর্ষ শিল্পীদের উদ্যোগে সহযোগিতা করতে চাইলেও বিনয়ের সঙ্গে লাকী আখন্দ সেটি গ্রহণে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। গুণী কিংবা অভিমানী এই মানুষটি অন্যের সাহায্য-সহযোগিতায় নিজের চিকিৎসা চালাতে মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না। তবে ব্যাংককে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় এই সংগীতকারের চিকিৎসার জন্য পাঁচ লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রীয় ভালোবাসা হিসেবে সেটি তিনি গ্রহণ করেছেন স্বাচ্ছন্দে।
লাকী আখন্দের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে— ‘এই নীল মনিহার’, ‘আমায় ডেকো না’, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘মামনিয়া, ‘বিতৃঞ্চা জীবনে আমার’, ‘কি করে বললে তুমি’ ‘লিখতে পারি না কোনও গান, ‘ভালোবেসে চলে যেও না’ প্রভৃতি।
লাকী আখন্দ, আধুনিক বাংলা সঙ্গীতের খ্যাতিমান শিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। শৈশব কেটেছে ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকার পাতলা খান লেনে। শৈশবেই তার সংগীতশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ। মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে এইচএমভি পাকিস্তানে সুরকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। সুরকার হিসেবে আরো কাজ করেছেন এইচএমভি ভারত এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রেও।
স্বাধীনতার পর পর নতুন উদ্যমে বাংলা গান নিয়ে কাজ শুরু করেন। তার নিজের সুর করা গানের সংখ্যা দেড় হাজারেরও বেশি। শিল্পীর সহোদর ক্ষণজন্মা হ্যাপী আখন্দের সাথে ছিলো তার আত্মার সম্পর্ক। ভাইয়ের মৃত্যুর পর দীর্ঘকাল তিনি নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন। দুজনের যৌথ প্রয়াসে সূচিত হয়েছিলো বাংলা গানের এক নতুন ধারা।
- See more at: http://www.currentnews.com.bd/bn/news/232420#sthash.RgeU4XSo.dpuf

লাকী আখন্দ আর নেই

প্রকাশের সময়: ৭:৩৩ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | এপ্রিল ২১, ২০১৭
কারেন্টনিউজ ডটকমডটবিডি:
টানা আড়াই মাস হাসপাতালজীবন শেষে গেল সপ্তাহে আরমানিটোলার নিজ বাসায় ফিরেছিলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লাকী আখন্দ। এতদিন ভালোই ছিলেন। তবে আজ (২১ এপ্রিল) দুপুর নাগাদ তার শরীরের অবনতি ঘটে। দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় মিটফোর্ড হাসপাতালে। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকী আখন্দকে মৃত ঘোষণা করেন। ইন্না…রাজিউন।
বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ‘শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশন’ সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী এরশাদুল হক টিংকু। যিনি লাকী আখন্দকে নিয়মিত দেখভাল করছিলেন।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি বরেণ্য এ শিল্পীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিএসএমএমইউ-এর সেন্টার ফর প্যালিয়েটিভ কেয়ারের ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে অধ্যাপক নেজামুদ্দিন আহমেদের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গেল সপ্তাহে শরীরের অবস্থা উন্নতি হলে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, গুণী এই সংগীতজ্ঞ অনেক দিন ধরেই মরণব্যাধী ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। ছয় মাসের চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ২০১৬ সালের ২৫ মার্চ দেশে ফেরেন তিনি। সেখানে কেমোথেরাপি নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছিল তার। একই বছরের জুনে আবারও থেরাপির জন্য ব্যাংকক যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে পরে আর তার সেখানে যাওয়া হয়ে উঠেনি।
অসুস্থতার প্রথম থেকেই লাকী আখন্দ ও তার পরিবার কোনও রকম আর্থিক সহযোগিতা গ্রহণের বিষয়ে বেশ কঠোর ছিলেন। দেশের শীর্ষ শিল্পীদের উদ্যোগে সহযোগিতা করতে চাইলেও বিনয়ের সঙ্গে লাকী আখন্দ সেটি গ্রহণে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। গুণী কিংবা অভিমানী এই মানুষটি অন্যের সাহায্য-সহযোগিতায় নিজের চিকিৎসা চালাতে মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না। তবে ব্যাংককে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় এই সংগীতকারের চিকিৎসার জন্য পাঁচ লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রীয় ভালোবাসা হিসেবে সেটি তিনি গ্রহণ করেছেন স্বাচ্ছন্দে।
লাকী আখন্দের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে— ‘এই নীল মনিহার’, ‘আমায় ডেকো না’, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘মামনিয়া, ‘বিতৃঞ্চা জীবনে আমার’, ‘কি করে বললে তুমি’ ‘লিখতে পারি না কোনও গান, ‘ভালোবেসে চলে যেও না’ প্রভৃতি।
লাকী আখন্দ, আধুনিক বাংলা সঙ্গীতের খ্যাতিমান শিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। শৈশব কেটেছে ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকার পাতলা খান লেনে। শৈশবেই তার সংগীতশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ। মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে এইচএমভি পাকিস্তানে সুরকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। সুরকার হিসেবে আরো কাজ করেছেন এইচএমভি ভারত এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রেও।
স্বাধীনতার পর পর নতুন উদ্যমে বাংলা গান নিয়ে কাজ শুরু করেন। তার নিজের সুর করা গানের সংখ্যা দেড় হাজারেরও বেশি। শিল্পীর সহোদর ক্ষণজন্মা হ্যাপী আখন্দের সাথে ছিলো তার আত্মার সম্পর্ক। ভাইয়ের মৃত্যুর পর দীর্ঘকাল তিনি নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন। দুজনের যৌথ প্রয়াসে সূচিত হয়েছিলো বাংলা গানের এক নতুন ধারা।
- See more at: http://www.currentnews.com.bd/bn/news/232420#sthash.RgeU4XSo.dpuf
 ডিজে রাহাত ফিচারিং 'চাঁদের কনা'

ডিজে রাহাত ফিচারিং 'চাঁদের কনা'


বরারই বৈচিত্রময় ও ভিন্ন আঙ্গিকের মিউজিক ভিডিও দিয়ে দর্শকদের কাছে দারুণ সমাদৃত কণ্ঠশিল্পী কনা। তারই ধারাবাহিকতায় কনা এবার দর্শকদের সামনে আসছেন চার রুপে। ডিজে রাহাত ফিচারিং ‘চাঁদের কনা’শীর্ষক একটি গানের মিউজিক ভিডিওতে কনাকে এই চার রুপে দেখা যাবে। গানটি লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন। মিউজিক ভিডিও  পরিচালনা করেছেন শুভব্রত সরকার। সিনে আর্ট থেকে এটি নির্মিত হয়েছে।

মিউজিক ভিডিওটি প্রসঙ্গে কনা বলেন, ‘শুভব্রত সরকারের সঙ্গে আগেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। নতুন কিছু দেবার প্রত্যয় নিয়েই সে কাজ করে বলে আমি মনে করি। দারুণ একটি কনসেপ্ট নিয়ে সে ‘চাঁদের কনা’ গানের মিউজিক ভিডিও নির্মান করেছে। গান ও মিউজিক ভিডিও দুটোই সবার ভালো লাগবে আশা করি। ’

শুভব্রত সরকার, ‘প্রায় পাঁচ বছর পর আবারো কণ্ঠশিল্পী কনার সঙ্গে কাজ করেছি। এর আগে আমার নিদের্শনায় তার ‘ধীম তা-না’, নীল পরী’,সহ কয়েকটি গানের মিউজিক ভিডিওর জন্য সবার কাছ থেকে সাড়া পেয়েছি। এই মিউজিক ভিডিওতেও দর্শক-শ্রোতা নতুনত্ব পাবে।
মুক্তি পেয়েছে কাজী শুভ এবং নদীর  ‌‘রঙিলা আকাশ’

মুক্তি পেয়েছে কাজী শুভ এবং নদীর ‌‘রঙিলা আকাশ’

                              
                             

কঠিন অসুখে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মারিয়া মিম। চিকিৎসক তার মনের মানুষ অন্তু করিমকে বলেছেন, বাঁচানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ। স্বাভাবিক, প্রেমিকার জন্য মানষিকভাবে ভেঙে পড়েছেন অন্তু। এগুতে থাকে জীবন আর ভালোবাসার টানাপোড়েনের গল্প।
 এটি কাজী শুভ এবং নদীর গাওয়া একটি গানের ভিডিও গল্প। গানটির নাম ‌‘রঙিলা আকাশ’। যা বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) মুক্তি পেয়েছে সিএমভি’র ইউটিউব চ্যানেলে।
 এ মিজানের কথায় গানটির সুর-সংগীতায়োজন করেছেন সুমন কল্যান। আর এটির গল্পনির্ভর ইমোশনাল ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন সৌমিত্র ঘোষ ইমন। এতে প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিউজিক ভিডিওর জনপ্রিয় দুই মুখ অন্তু করিম ও মারিয়া মিম।
 গানটি প্রসঙ্গে কাজী শুভ বলেন, ‘গান তো অনেকই করি। তবে সেই গানের গল্প ধরে ভালো মানের ভিডিওর সংখ্যা খুব বেশি নেই। সে হিসেবে এই ভিডিওটি নিয়ে আমার প্রত্যাশা অনেক। ’
 এদিকে মডেল-অভিনেতা অন্তু করিম বলেন, ‘দারুণ একটা বিরহের গান। সঙ্গে গল্পটাও চোখে পানি আসার মতো। কাজটি দারুণ হয়েছে। আশা করছি সবার ভালো লাগবে।

অপুর কাছে ফিরছেন শাকিব খান

অপুর কাছে ফিরছেন শাকিব খান

অপুর কাছে  ফিরছেন শাকিব খান
 
অভিমান ভাঙছে শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের। সব কিছু ভুলে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে থাকতে চান শাকিব খান-অপু। 
 
সোমবার একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাতকারে অপু বিশ্বাস দাবি করেন, শাকিব খানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। তাদের ছয় মাসের একটি সন্তানও রয়েছে। 
 
অপু বিশ্বাসের এ সাক্ষাৎকারের পর মিডিয়া অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। শাকিব খান বিভিন্ন গণমাধ্যমের কাছে সন্তানের দায়িত্ব নেয়ার কথা জানালেও অপু বিশ্বাসের দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন।   
 
তবে মঙ্গলবার দুপুরে শাকিব জানালেন, ‘সোমবার মেজাজ খারাপ ছিল। তাই অনেক কথা বলেছি। আমার স্ত্রী, আমার সংসার, আমার সন্তান। ওদের সঙ্গেই আমাকে থাকতে হবে।’ 
 
শাকিব খান বলেন, ‘দেখুন সন্তান আমার। আমি বাবা হয়ে কেন সন্তানকে অস্বীকার করবো। সন্তানের দায়িত্ব আমার সারাজীবনের।

মুক্তি পেল কাজী শুভ ও স্বরলিপির ‘ভালোবাসি অবিরত’

মুক্তি পেল কাজী শুভ ও স্বরলিপির ‘ভালোবাসি অবিরত’


সম্প্রতি ইউটিউবে কাজী শুভ ও স্বরলিপির গাওয়া নতুন গান ‘ভালোবাসি অবিরত’ প্রকাশ পেয়েছে। রকিব হোসেনের লেখা, কাজী শুভর সুর এবং রাফির সঙ্গীতায়োজনে নতুন এই গানটি এরইমধ্যে শ্রোতাদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।
এরইমধ্যে গানটি ইউটিউবে ষাট হাজারেরও বেশি শ্রোতারা শুনেছেন। গানটি যারাই শুনেছেন গানের কথা, সুর এবং শিল্পীদের গায়কীতে মুগ্ধ হয়েছেন সবাই। নিজেদের নতুন গান নিয়ে উচ্ছসিত কাজী শুভ এবং স্বরলিপিও।

কাজী শুভ বলেন, গানের কথার মধ্যে নতুনত্ব আছে, আছে ভালোলাগার মতো কিছু শব্দ। যে কারণে এর সুর করতেও আমার ভীষণ ভালোলেগেছে। রাফির সঙ্গীতায়োজনও ছিলো বেশ চমৎকার। স্বরলিপি সবসময়ই খুব ভালো গায়। কারণ স্বরলিপি শিখে আসা একজন কন্ঠশিল্পী। যে কারণে তার গায়কীতে বেশ মুন্সীয়ানা আছে। সবমিলিয়ে ভালোবাসি অবিরত গানটি খুব ভালো হয়েছে।

স্বরলিপি বলেন, শুভ ভাইয়ের সঙ্গে আমি প্রথম গান করি আমারই প্রথম একক অ্যালবাম নিমন্ত্রণে। তিনি সবসময়ই বেশ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করেন। আমার আদরে আদরে গান থেকে শুরু করে তারসঙ্গে যতোগুলো গানই করেছি প্রতিটিই বেশ যত্নে করা ছিলো। যে কারণে গান গেয়েও আমি তৃপ্ত ছিলাম। ভালোবাসি অবিরত গানটিও বেশ ভালো হয়েছে। যারাই শুনেছেন তারই গানটির প্রশংসা করেছেন।

এদিকে পহেলা বৈশাখে ফয়সাল রাব্বিকীনের কথায় এবং কাজী শুভ’র সুরে, রাফির সঙ্গীতায়োজনে তিন গানের সমন্বয়ে কাজী শুভ’র একক অ্যালবাম ‘হৃদয়ে তুমি’ বাজারে আসছে। এছাড়া পহেলা বৈশাখে তিনি ঢাকার আশেপাশেই স্টেজ শোতে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন।

কাজী শুভ’র একক অ্যালবামগুলো হচ্ছে ‘সাদামাটা’, ‘সাদামাটা-টু’, ‘সাদামাটা-থ্রি’, ‘দাগা’ এবং ‘মায়ার আগুন’।

স্বরলিপি তার বাবা করিম শাহাবুদ্দিনের কাছেই গান শিখেছেন। ‘প্রেম প্রেম পাগলামী’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম প্লে-ব্যাক করেন। সর্বশেষ তিনি শামীমুল ইসলাম শামীমের নির্মাণ চলতি চলচ্চিত্র ‘গোলাপতলীর কাজল’ চলচ্চিত্রে কাজী শুভর সঙ্গেই প্লে-ব্যাক করেন। পয়লা বৈশাখে স্বরলিপি খুলনায় স্টেজ শোতে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন।

স্বরলিপির প্রথম একক অ্যালভাম ‘নিমন্ত্রণ’ ২০১৪ সালে বাজারে আসে। উল্লেখ্য, কাজী শুভ ও স্বরলিপির ‘ভালোবাসি অবিরত’ গানটি সিডি চয়েজের ব্যানারে ইউটিউবে পাওয়া যাচ্ছে।
বন্ধ হতে পারে কাপিলের শো !

বন্ধ হতে পারে কাপিলের শো !


আর মাত্র এক মাস সময়, এর মধ্যেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে ‘দ্য কাপিল শর্মা শো’! মাত্র এক মাস সময় দেয়া হয়েছে ভারতের জনপ্রিয় কমেডিয়ান ও অভিনেতা কাপিল শর্মাকে। তার মধ্যেই তাকে গুছিয়ে ফেলতে হবে সবকিছু। এমনই শর্ত দিয়েছে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ।

সূত্রের খবর, সুনীল গ্রোভারের সাথে কাপিল শর্মার সমস্যার জের পড়েছে ‘দ্য কাপিল শর্মা শো’তে। সুনীলের সাথে সাথে ওই শো ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন আলি আসগর, চন্দন প্রভাকরের মতো অভিনেতারাও।

রাজু শ্রীবাস্তবের মতো কমেডিয়ানকে এনেও পরিস্থিতি সামলানো যাচ্ছে না বলে দাবি ইন্ডাস্ট্রির। পাশাপাশি সেটে উপস্থিত দর্শকরা তাঁর জোকস শুনে ঠিক ভাবে রেসপন্স না করায় শুটিং বাতিলের অভিযোগও উঠেছে কপিলের বিরুদ্ধে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ জটিল। যার জেরে ওই শো-এর টিআরপিও পড়ছে বলে খবর।

সে কারণেই কপিলকে আগামী এক মাস সময় দিয়েছেন চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যেই নাকি তাকে পরিস্থিতি গুছিয়ে নিতে বলা হয়েছে। এক মাস পরেও ছবিটা না বদলালে তারা অন্য কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন বলে ধারণা করছেন ইন্ডাস্ট্রির একটা বড় অংশ।

সেরা মডেলের অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন সুজানা

সেরা মডেলের অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী সুজানা জাফর। অ্যাওয়ার্ডের নাম ‘জিনিয়াস অ্যাওয়ার্ড’। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টায় রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলের বলরুমে জমকালো এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে তার হাতে অ্যাওয়ার্ডটি তুলে দেয়া হবে।

সুজানাকে অ্যাওয়ার্ড দিচ্ছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংগঠন ‘এসই’। জিনিয়াস অ্যাওয়ার্ডের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মোহাম্মদ ইয়াওর। তিনি বাংলাদেশি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সদস্য। এ অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের বাংলাদেশের দায়িত্বে রয়েছেন হেলেনা জাহাঙ্গীর হেলেন।

প্রতি বছর অনেকগুলো ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিশেষ মানুষদের এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এবার মোট ২০ জনকে অ্যাওয়ার্ড দেয়া হচ্ছে। তারমধ্যে সেরা মডেল হিসেবে সুজানাকে অ্যাওয়ার্ড দেয়া হচ্ছে। একযুগ ধরে শোবিজে কাজ করলেও প্রথমবারের মতো কোনো অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন সুজানা।

তিনি বলেন, ‘অ্যাওয়ার্ডে প্রতি আমার কোনো দুর্বলতা ছিল না। আর আমাদের চারপাশে যারা অ্যাওয়ার্ড পান তারা অধিকাংশই সঠিক ক্ষেত্রে পান না। কিন্তু আমার কাজ দেখে যারা আমাকে যোগ্য মনে করে সেরা মডেলের অ্যাওয়ার্ডটি দিচ্ছেন তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

মিউজিক ভিডিওতে ফুয়াদ-ইমরানের‘ধোঁয়া’

          `
        
প্রথমবারের মতো ফুয়াদ আল মুক্তাদিরের সঙ্গীতায়জনে কাজ করলেন এই প্রজন্মের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী ইমরান। তার সুর ও
কণ্ঠে গাওয়া ‘ধোঁয়া’ শিরোনামের গানটির সংগীতায়োজন করেছেন ফুয়াদ। গানটির কথা লিখেছেন আবদার রহমান। গানটি
প্রকাশ করেছে অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ধ্রুব মিউজিক স্টেশন’।

এটা পুরানো খবর। নতুন খবর হলো খুব শিগগিরই আসছে গানটির মিউজিক ভিডিও। মিউজিক ভিডিওতে ইমরানের সাথে গাটির
মডেল হয়েছেন লিয়ানা লিয়া। আর মিউজিক ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিও নির্মাতা অঞ্জন রায় চৌধুরী। তিনটি মনোরম লোকেশনে শুটিং করা হয়েছে মিউজিক ভিডিওটির।

গান এবং মিউজিক ভিডিও নিয়ে ইমরান বলেন, আমি ফুয়াদ ভাইয়ের গানের ভক্ত। এখন ফুয়াদ ভাই আর আমি একসাথে কাজ করছি। এটি অবশ্যই আমার জন্য আনন্দের। কারণ, তার কাজ মানেই ব্যাতিক্রম কিছু। এই গানটিতে বিশেষ একটি চমক হচ্ছে অ্যাকুস্টিক দুদুক বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার। যেটি বাংলাদেশের আর কোনো গানে বাজানো হয়নি।

যোগ করে ইমরান আরও বলেন, আর গানটির মিউজিক ভিডিওতে আছে নানা চমক আর নতুনত্ব। যাতে দর্শকরা পাবে ভিন্নতার
ছোঁয়া। আশা করছি ধোঁয়া গানের মিউজিক ভিডিওটি দর্শকদের ভালো লাগবে।
ইতিমধ্যেই গানটির শুটিং শেষ করেছেন পরিচালক। বর্তমানে এটি সম্পাদনার টেবিলে আছে। খুব শিগগিরই গানটি প্রকাশ পাবে ‘ধ্রুব মিউজিক স্টেশন’ এর ইউটিউব চ্যানেলে।