আমার জীবনের আকর্ষণীয় ঘটনাগুলো শুধু মাত্র আমি জানি- শাহরুখ খান

আমার জীবনের আকর্ষণীয় ঘটনাগুলো শুধু মাত্র আমি জানি- শাহরুখ খান

‘আমার জীবনী নিয়ে চলচ্চিত্র না বানানো হোক’ 
তিনি মস্তবড় নায়ক। বলিউড বাদশাহ- শাহরুখ খান। অনেকেই বলেন তার জীবনের ঘটনা একেবারে সিনেমার মতো। তবে সে কথা কিছুতেই মানতে চান না তিনি। তার জীবন নাকি বায়োপিক করার পক্ষে একেবারে ‘বিতর্কিত’ নয়। 
 
শাহরুখ বলেন, ‘আমার জীবনের আকর্ষণীয় ঘটনাগুলো শুধু মাত্র আমি জানি। আমার কাছের লোকেরাও নয়। তাই আমার ঘনিষ্ঠ কেউ চিত্রনাট্য লিখলেও, তা শুধুই সাফল্যের গল্পই হয়ে যাবে। জীবনসংগ্রামের কোনো অস্তিত্ব তাতে থাকবে না।’
 
২৫-২৬ বছরের ফিল্ম ক্যারিয়ার যেনো চোখের নিমেষে পেরিয়ে গিয়েছে। অভিনয়ের প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, ‘আমি একজন অভিনেতা। যা বিশ্বাস করি, সেটাই অভিনয় করতে পারি। আর সেটা না করতে পারলে তো অভিনেতাই হতে পারতাম না।’
 
 টেলিভিশন শো ‘ফৌজি’ ও ‘সার্কাস’ দিয়ে অভিনয়ের পথে চলা শুরু করা শাহরুখ খানের বেশি সময় লাগেনি বলিউডের ‘বাদশা’ হতে। তবে বিতর্কও কম হয়নি তাকে ঘিরে। ২০০৮ সালে সালমান খানের সঙ্গে ঝামেলা থেকে আইপিএলে তার মাঠে ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা। তবুও কেনো যে বলছেন তার জীবন ‘বিতর্কিত’ নয়- তা কেবল তিনিই জানেন। 
আনন্দবাজার
 
‘হারবাল লাভ’ নিয়ে জাহিদ হাসান

‘হারবাল লাভ’ নিয়ে জাহিদ হাসান

‘হারবাল লাভ’ নিয়ে জাহিদ হাসান

বৈশাখী টেলিভিশনের বিশেষ অনুষ্ঠানমালায় ঈদের ৬ষ্ঠ দিন থাকছে একক নাটক ‘হারবাল লাভ’। নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান।

মানস পালের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন জাহিদুল ইসলাম মিন্টু। নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন চৈতি, অবিদ রেহান। নাটকটি প্রচারিত হবে ঈদের ৬ষ্ঠ দিন সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে।
চলে গেলেন নজমুল হুদা বাচ্চু

চলে গেলেন নজমুল হুদা বাচ্চু

চলে গেলেন নজমুল হুদা বাচ্চু
চলে গেলেন নজমুল হুদা বাচ্চু
চলে গেলেন নজমুল হুদা বাচ্চু

চলে গেলেন বরেণ্য অভিনেতা ও সঙ্গীতশিল্পী নজমুল হুদা বাচ্চু। বুধবার ভোর ৪টা ১৪ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহির রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

জানা যায়, বাসায় হার্টঅ্যাটাক হলে তাকে বাসার নিকটস্থ স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেন তার ছোট মেয়ে সাদিয়া নাজ। আজ বাদ জোহর রাজধানীর গুলশানের আজাদ মসজিদে জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

আগামী ১১ জুলাইকে ঘিরে নজমুল হুদা বাচ্চুর ছিল নানান পরিকল্পনা। কারণ, সেদিন তার ৮০-তে পা রাখার কথা। কিন্তু তার আগেই তিনি চলে গেলেন পরপারে।

চলচ্চিত্র এবং নাটকের কিংবদন্তী অভিনেতা হিসেবেই নজমুল হুদা বাচ্চুর পরিচিতি। কিন্তু এর বাইরেও তিনি একজন সঙ্গীতশিল্পী এবং সঙ্গীত পরিচালকও ছিলেন। জীবনের শুরুটাই তার সঙ্গীত দিয়ে। অথচ সঙ্গীতশিল্পী না হয়ে হলেন অভিনেতা।

ছোটবেলা থেকেই তার গানের প্রতি ছিল এক অন্যরকম ভালোলাগা। আর তাই ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গানেও নিজেকে গড়ে তুলেন। তবে গানের চেয়ে তখন তিনি বেশি ব্যস্ত হয়ে ওঠেন অভিনয়ে। এসএম হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন তিনি। হলের নাটকের নির্দেশনা দেয়ার পাশাপাশি তিনি অভিনয়ও করতেন। ‘ডাকসু’র অনেক নাটকেও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

ছাত্র জীবনেই বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রয়াত প্রযোজক মনিরুল আলমের প্রযোজনায় একটি নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে টিভি নাটকে তার অভিষেক ঘটে। এ নাটকে তার সহশিল্পী ছিলেন সৈয়দ আহসান আলী সিডনী (অভিনেতা জিতু আহসানের বাবা) ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। তবে যে নাটকে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন তিনি সেটি হচ্ছে আব্দুল্লাহ আল মামুনের প্রযোজনায় নির্মিত ধারাবাহিক নাটক ‘চাচা-ভাতিজা’। এতে চাচা চরিত্রে বাচ্চু এবং ভাতিজা চরিত্রে টেলিসামাদ অভিনয় করেছিলেন। এরপর থেকে আজ অবধি বহু নাটকে তিনি অভিনয় করেছেন।


চলচ্চিত্রে নজমুল হুদা বাচ্চুর অভিষেক ঘটে একজন প্লে-ব্যাক সিঙ্গার হিসেবে। ১৯৬১ সালে মুস্তাফিজ পরিচালিত ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রে প্রয়াত রবিন ঘোষের সুর সঙ্গীতে ‘অভিমান করো না’ গানটিতে প্রথম কণ্ঠ দেন। এরপর তিনি ‘জোয়ার এলো’, ‘চান্দা’, ‘ফির মিলিঙ্গে হাম দোনো’, ‘কার পাপে’সহ বহু চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করেন।

বাবুল চৌধুরীর নির্দেশনায় তিনি প্রথম ‘আকাঁবাঁকা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। নজমুল হুদা বাচ্চু বলেন, ‘আঁকাবাঁকা চলচ্চিত্রে আলতাফ মাহমুদের সুর সঙ্গীতে আমি একটি প্লে-ব্যাক করি। এতে তিনি আমারই গানে লিপসিং করতে বলেন। তার জোরাজুরিতেই আসলে অভিনয়ে আসা আমার। তা না হলে হয়তো অভিনেতা বাচ্চুর এভাবে অভিনয়ে আসা হতো না।’

এরপর অচেনা অতিথি, সারেং বউ, সখি তুমি কার, জীবন মৃত্যু, স্বামী, গাংচিল, ভালো মানুষ, বাজিমাত, মাটির মায়া, কী যে করি, ঘর জামাই, আবার তোরা মানুষ হ, সূর্য দীঘল বাড়ি, দুই বেয়াইয়ের কীর্তি, দড়িয়া পাড়ের দৌলতী, রানওয়ে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। সর্বশেষ তিনি তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘অজ্ঞাতনামা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীনই তিনি বেতারের তালিকাভুক্ত কণ্ঠশিল্পী হন। শেষ দিন পর্যন্ত তিনি গানের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। বেতারে তিনি সরাসরি গান করতেন। ‘লালন ফকির’র নাটকসহ অনেক নাটকের সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।

নাজমুল হুদা বাচ্চুর বাবা শামসুল হুদা ও মা আনোয়ারা হুদা। ১৯৩৮ সালের ১১ জুলাই তার জন্ম। ১৯৬৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি লিনা’র সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার তিন মেয়ে সানিয়া নাজ, সায়কা নাজ ও সাদিয়া নাজ। বড় মেয়ে সানিয়াও গান করেন। এ মুহূর্তে নজমুল হুদা বাচ্চু জাহানারা আহমেদের রচনায় ‘ছোবল’ ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছিলেন, যা নিয়মিত বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচার হচ্ছে।
এবারের  ঈদে ‘অ্যাভারেজ আসলাম ইজ নট এ ব্যাচেলর’

এবারের ঈদে ‘অ্যাভারেজ আসলাম ইজ নট এ ব্যাচেলর’

এবার ‘অ্যাভারেজ আসলাম ইজ নট এ ব্যাচেলর’
 
ঈদে আসছে ৭ পর্বের বিশেষ ধারাবাহিক নাটক ‘অ্যাভারেজ আসলাম ইজ নট এ ব্যাচেলর’। বাংলাভিশনে প্রচার হবে ঈদের দিন থেকে ৭ম দিন পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন সাগর জাহান।
 
নাটকে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, শখ, তানিয়া আহমেদ, গোলাম ফরিদা ছন্দা, ফজলুর রহমান বাবু, ফারুক আহমেদ, রোবেনা রেজা জুই, কচি খন্দকার, আরফান আহমেদ, মারজুক রাসেল, আ খ ম হাসান, নাদিয়া খানম, পরেশ আচার্য, মুনিরা মিঠু, নাজমুল হুদা বাচ্চু, মাসুদ হারুন, জামিল প্রমুখ।
 
দেখা যাবে, বাড়ির মানুষের চাপে পড়ে আসলাম মেয়ে দেখতে আর জায়গা-জমি ঝামেলা মিটাতে মামা বাড়ি যায়। এ খবর শোনার পর পারিহা তার বোন মারিহাকে আসলামকে ভালোবাসার ব্যাপারটা জানায়। আসলামের মামা বাড়িতে শুধু আসলামের মামা বুলেট আর তার দেখাশোনার জন্য দূর সম্পর্কের আত্মীয় ফজলে ওরফে ফলো ফাজিল থাকে

'বস টু ও নবাব'কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন রাজনীতির নির্মাতা



যৌথ প্রযোজনার ছবি 'বস টু' ও নবাবকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন রাজনীতি ছবির নির্মাতা এনএস বুলবুল বিশ্বাস। নিজের ছবিকে যৌথ প্রযোজনার ছবির চেয়ে গুণগত মান অনেক বেশি উন্নত ও মৌলিক গল্পের ছবি উল্লেখ করে জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধারকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, 'যদি আপনার সিনেমা নিয়ে আপনার এতই কনফিডেন্ট থাকে, তাহলে আসুন মুক্ত বাজারে। আপনার দুটো সিনেমা আর আমার রাজনীতি নিয়ে একই প্লাটফর্মে বসি। '

জাজ মাল্টিমিডিয়ার ফেসবুক পেইজের এক পোস্টের কথা উল্লেখ করে এই নির্মাতা নিজের ফেসবুক পেইজে লিখেছেন, 'জাজ মাল্টি মিডিয়া তাদের পেইজে গত বছরের উদাহরণ টেনে বলেছেন, তাদের দুই ছবির বাইরে অন্য ছবি কোন হল মালিক নিলে, সেই হল মালিক ব্যাবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়বেন। আব্দুল আজিজ সাহেব সরাসরি চোখে আঙ্গুল দিয়ে বলেছেন, হল মালিকরা আমাদের দুই ছবি বাদে অন্য ছবি নেবেন না। কিন্তু আমার মতো একজন নবীন নির্মাতার সরল মনের সরল প্রশ্ন, হল মালিকরা কোন ছবি নেবেন, কি না নেবেন সেটা বলার বা নির্ধারণ করার আপনি কে? তাদের নেতা? নাকি ত্রাণকর্তা?'

বুলবুল বলেন, তাহলে নেতাগিরি কে বা কারা করছেন? আপনি না আপনি ছাড়া পুরা ইন্ডাস্ট্রি?
বুলবুল আরো উল্লেখ করেন, আপনাদের ভাষ্যমতে দুই ছবি দিয়ে শতাধিক হল ইতোমধ্যে বুকিং করে ফেলেছেন। কিন্তু একটা হিসেব মেলে না, ছবির কন্টেন্ট না দেখে কিভাবে হল মালিকরা আপনার ছবি নিতে আগ্রহী হলেন। কেননা, এটা সবাই জানে, হল মালিক বা বুকিং এজেন্টরা কন্টেন্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেন যে তারা ছবিটা নেবেন কি না! এবং এও সবাই জানেন আপনার ছবি দুটো তার কন্টেন্ট দেখানোর উপযোগী হয়েছে কিছুদিন পূর্বে মাত্র। তাহলে কিসের ভয়ে বা কোন অজানা কারণে ছবির ছিটেফোঁটা না দেখেই হল মালিকরা আপনার ছবি নিতে আগ্রহী বা বাধ্য হয়। এরপরও কি বলবেন আপনি বাদে ইন্ডাস্ট্রির অন্যরা নেতাগিরি করছেন।

উল্লেখ্য, শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসকে নিয়ে বুলবুল বিশ্বাস নির্মাণ করেছেন 'রাজনীতি' যা এই ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। অন্যদিকে জাজ মাল্টিমিডিয়া যৌথ প্রযোজনার ছবি বস টু ও নবাবকে মুক্তির তালিকায় পড়েছে। ইতোমধ্যে 'বস টু' ছবিটি অনিয়মের বিতর্কে জড়িয়েছে।

ছেলেদের ঈদ ফ্যাশন

ঈদ আসলে চোখে পড়ে চারিদিকে মেয়েদের ফ্যাশেনের বাহুল্যতা। তবে এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই ছেলেরাও। ঈদের কয়েকদিন আগ থেকে তারা নিজেদের একটু পরিপাটি করে নেয়ার জন্য ভিড় করেন মেনজ্ পার্লার ও সেলুনগুলোতে। ছেলেদের ফ্যাশন হলো- পাঞ্জাবী, শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, সু, চুলের ফ্যাশন, হাতের ব্রেস লাইট ইত্যাদি। এছাড়া নানা রকমের সাজে নিয়ে আসে চেয়ারার লাব্যণতা। ঈদের দিন ছেলেদের প্রথম পছন্দ হলো পাঞ্জাবি। আর পাঞ্জাবির সঙ্গে পাজামা কিংবা জিন্স দুটোই মানানসই। ঈদের আগে সেলুনগুলোতে থাকে লম্বা লাইন। এক্সপার্ট সেলুনগুলোতে আগে থেকেই সিরিয়াল দিয়ে রাখতে হয় চুল কাটা ও শেভ করার জন্য। হেয়ার স্টাইল বা দাড়ি কামানোর স্টাইলটাও কিন্তু বয়স, পেশা, মুখের আকৃতি, সামাজিক অবস্থান ও চুলের ধরনের ওপর নির্ভর করে।

হেয়ার স্টাইল : – পুরুষের হেয়ার স্টাইলে আজকাল এসেছে নানা বৈচিত্র্য। আগের মতো গৎবাঁধা এক ছাঁটের বদলে ছেলেদের চুলে বর্তমানে ইমো কাট, লেয়ার কাট, স্টেপ কাট, হোয়াইট ওয়ালস কাট, ফেড কাট, লেয়ার স্পাইক, ক্ল্যাসিক কাট ইত্যাদি স্টাইল চলছে। টিক্কি কাট বা লিজার্ড টেল নামের হেয়ার স্টাইলটিও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ঈদের অন্তত কয়েকদিন আগেই চুল কাটার কাজটা সেরে রাখতে পারেন। যাদের চুল শুষ্ক তারা ঈদের আগে চুলে প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করিয়ে নিতে পারেন। আর যারা খুশকির সমস্যা ভুগছেন তারা অয়েল ম্যাসাজ করে নিন। ঈদের দুই থেকে তিন দিন আগে ফেসিয়াল করে নিন। বেশি আগে শেভ না করে ঈদের আগে দিন করার চেষ্টা করুন। ঈদের দিন সকালে গোসল করে চুলগুলোকে জেল দিয়ে সেট করে নিন। সুগন্ধি লাগান। ঈদের দিন সকালে পাঞ্জাবি পরুন, সঙ্গে ফ্ল্যাট স্যান্ডেল পরে নিন।


পোশাক নির্বাচন: ঈদের দিনটা বেশ গরম থাকতে পারে এবার। আর তাই হালকা রঙের পোশাক পরে আরামে কাটিয়ে দিতে পারেন ঈদের সকালটা। এক্ষেত্রে বেছে নিতে পারে সাদা ঘিয়া, হালকা সবুজ, বাদামি, হালকা হলুদ ও নীলের মতো রংগুলো। অনেকে ক্যাজুয়াল পোশাকে ঈদ পালন করেন। তাদের জন্য এবার চলছে নিয়ন কালারের টি-শার্টের ট্রেন্ড। এর সঙ্গে পরতে পারেন রঙিন গ্যাভাডিন বা জিন্সের প্যান্ট। সঙ্গে পরুন রঙিন এক জোড়া জুতা বা চামড়ার ফ্ল্যাট স্যান্ডেল। ঈদে অফিসে যেতে হলে আপনি হালকা সুতি কাপড়ের ফতুয়া বা হাফ হাতা প্রিন্টের শার্ট বেছে নিতে পারেন। এছাড়া পাঞ্জাবীও পরে যেতে পারেন ঈদের দিনটায়। চশমার কারিশমা : আজকের ছেলেদের ঈদের আগে ও পরে চশমার কারিশাটা চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন মডেলের চশমা আপনার হাতের কাছের দোকানগুলোতে পেতে পারেন। সেখান থেকে খুব সহজে সংগ্রহ করতে পারেন।
‘একজন অসাধারণ অভিনেতা’: চঞ্চলকে নিয়ে তারিন

‘একজন অসাধারণ অভিনেতা’: চঞ্চলকে নিয়ে তারিন

‘একজন অসাধারণ অভিনেতা’: চঞ্চলকে নিয়ে তারিন
 
তারিন ও চঞ্চল চৌধুরী, দুই অভিনয়শিল্পীকে একসঙ্গে নাটকে খুব কমই দেখা গেছে। এবারের ঈদে দর্শক এই দুই অভিনয়শিল্পীকে আবারও একসঙ্গে দেখতে পাবেন। গোলাম সোহরাব দোদুলের রচনা ও নির্দেশনায় তারিন ও চঞ্চল অভিনয় করেছেন কাহিনিচিত্র ‘প্রিয় রঞ্জনা’য়। আরটিভিতে কাহিনিচিত্রটি প্রচার হবে।
 
তারিন বলেন, ‘চঞ্চল ভাইয়ের সঙ্গে আমার কাজ হয়েছে খুব কম। তিনি একজন অসাধারণ অভিনেতা। চরিত্রের প্রয়োজনে তিনি চরিত্র বুঝে গেটআপ নিয়ে অসাধারণ অভিনয় করেন। তার সঙ্গে যখনই দেখা হয় প্রাণখোলা হাসি দিয়েই কথা বলেন। একজন সহশিল্পী যখন খুবই সহযোগিতা পরায়ণ হয় তখন তা অভিনয়ের পরিবেশ সৃষ্টির ক্ষেত্রে এবং সহশিল্পীর অভিনয়ে দারুণভাবে সহযোগিতা করে।’
 
তারিনের সাথে অভিনয় প্রসঙ্গে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘তারিন নিঃসন্দেহে একজন মেধাবী অভিনেত্রী। আমার নিয়মিত অভিনয়ে পথচলার অনেক আগে থেকেই আমি তার অভিনয়ের দারুণ ভক্ত। তার সঙ্গে শুরু থেকেই আমার অভিনয়ের রসায়নটা বেশ জমে ওঠে। নাটকের জন্য দুঃসংবাদ হচ্ছে যে, এখন দু’জন ভালো বা গুণী কো-আর্টিস্ট নিয়ে তেমন কোনো নাটক নির্মাণ হয় না। আমাদের সৌভাগ্য যে, আমি আর তারিন ভালো একটি স্ত্রিপ্টে, সুন্দর গল্পে অভিনয় করেছি।’

সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে অপু বিশ্বাস


দীর্ঘদিন পর্দার আড়ালে থাকার পর গত ১০ এপ্রিল চমক নিয়েই মিডিয়ার সামনে আসেন ঢালিউড কুইনখ্যাত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। কেননা, এদিনই প্রকাশ্যে আসে শকিব খান-অপু বিশ্বাসের বিয়ে এবং তাদের সন্তান আব্রাম খান জয়ের কথা।

আর এর পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন এক সময়ের সফল জুটি শাকিব-অপু। এরপর থেকেই দীর্ঘদিন আড়ালে থাকা অপুকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে। নানা কারণে প্রতিনিয়ত থাকছেন খবরের শিরোনামেও। তবে সম্প্রতি একটি ভিন্ন কারণেই খবরের শিরোনামে উঠে এলেন অপু!

কেননা, এতদিন শুধু চলচ্চিত্রের পর্দায় নায়িকার সহানুভূতি, উদারতা, মহত্ব দেখেছেন অপু ভক্তরা। এবার বাস্তবেও সহানুভূতির হাত বাড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী। শনিবার ১ হাজার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে নতুন পোশাক তুলে দিয়েছেন অপু।


এ প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমাল’ নামের প্রতিষ্ঠানটি সুবিধাবঞ্চিতদের নতুন পোশাক দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। আমাকে যখন ‘আমাল’ থেকে বলা হয়, আমি তখনই রাজি হয়ে যাই। এজন্য ‘আমাল’ থেকে আমাকে ভালো অঙ্কের একটা সম্মানি দিতে চেয়েছিল। কিন্তু ওদেরকে বলেছি, আমার সন্মানি দিয়ে আরো কিছু পোশাক কিনে ওদের দিতে। কাজটি করে নিজের কাছেও ভালো লাগছে।’

শনিবার দুপুরে আমাল -এর উদ্যোগে ধানমন্ডিতে ১ হাজার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে নতুন কাপড় তুলে দেয়া হয়। এ সময় অপুসহ আমালের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অপু বিশ্বাস অভিনীত ‘রাজনীতি’ সিনেমার গান ও ট্রেলার দেখানো হয় এসব সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের।

কপিল শর্মার শো' তে ফিরছেন সুনীল!

কয়েক মাস আগেই কপিল-সুনীলের ঝগড়া প্রকাশ্যে এসেছিল। সে সময় কাদা ছোড়াছুড়িও কম হয়নি এ নিয়ে। বিমানে তাঁর প্রতি কপিলের অসভ্য আচরণের জন্য জনপ্রিয় ‘কপিল শর্মা শো’ ছেড়েই বেরিয়ে গিয়েছিলেন সুনীল গ্রোভার। সুনীলের সঙ্গে সঙ্গে শো থেকে বেরিয়ে যান আলী আসগর, চন্দন প্রভাকর।
তবে ফের নাকি সেই শোতেই ফিরছেন সুনীল। নাহ! তবে পাকাপাকি ভাবে নয়। মাত্র একটি পর্বেই আবার এক মঞ্চে দেখা যাবে ডঃ গুলাটি আর কপিলকে। আর এর পেছনে আছে সালমান খান। শোনা যাচ্ছে, সালমানের ‘টিউবলাইট’-এর জন্যই নাকি আপাতত সমস্ত অভিমান মিটিয়ে নিয়েছেন সুনীল।
আগামী ২৫ জুন মুক্তি পেতে চলেছে সালমানের ‘টিউবলাইট’। সেই ছবির প্রচারণাতেই ‘দ্য কপিল শর্মা শো’তে আসছেন ভাইজান। আর এই বিশেষ পর্বের জন্য সুনীলকে এনে স্পেশাল চমক দিল চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। হিন্দুস্তান টাইমস।

চোখের প্রয়োজনে এবং ফ্যাশনে রোদ চশমা


মডেলঃ শহীদ সরোওয়ার উদ্দীন শিভলু

Read more at: http://pressbd24.com/bangla/?p=31332
রোদ চশমা বা সানগ্লাস যে শুধু আপনার সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেবে তা কিন্তু নয়, রাস্তাঘাটের ধুলোবালি ছাড়াও সূর্যের ক্ষতিকর বেগুনি রশ্মির হাত থেকেও চোখ সুরক্ষিত রাখে সানগ্লাস। বিশেষ করে মোটরসাইকেলারোহী এবং যারা অধিক সময় বাইরে চলাফেরা করেন, তাঁদের জন্য এই গ্রীষ্মে সানগ্লাস তো একেবারে অপরিহার্য অনুষঙ্গ।

বাজারে ছেলেমেয়ে ও শিশুদের জন্য পাওয়া যাচ্ছে ডিজাইন করা বাহারি সব সানগ্লাস। তবে বাজারে মার্কারি গ্লাসের সানগ্লাসই বেশি। পাশাপাশি মেটাল ফ্রেম ও টাইটানিয়াম ফ্রেমের সানগ্লাসও পাবেন। এ প্রসঙ্গে সেঞ্চুরি আর্কেডের আই ফ্যাশন কেয়ারের স্বত্বাধিকারী ইব্রাহিম খালেদ জানালেন, মেটাল ফ্রেমের সানগ্লাসগুলো বেশ টেকসই, ওজনে হালকা হওয়ায় ব্যবহারও করা যায় স্বাচ্ছন্দ্যে। এলিফ্যান্ট রোডে দৃষ্টি আইকেয়ারের ব্যবস্থাপক রুহুল আমিন জানালেন, ‘এই সময়ের ট্রেন্ড হলো একটু বড় ফ্রেমের চার কোনা বা ডিম্বাকার সানগ্লাস।



ছেলেদের পছন্দের তালিকায় আছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোলারাইজড মার্কারি সানগ্লাস। ইসলামপুরের চশমা বিতানের ম্যানেজার সফিকুল ইসলাম বলেন, রেবন, পুলিশ, ওকলে, কার্ডিয়া, মার্সিডিস, সাফারি, ডানহিল, শ্যানেল, সিডি, লিভাইস, ফিলা, ফেনডি, ডিওর ও থমবর্নি, পড়শি, ডিজেল ও গুচি ব্র্যান্ড থেকে বেছে নিতে পারেন যেকোনোটি। মেয়েদের জন্যও বাজারে পাবেন মিউমিউ ও ফ্রেন্ডি ব্র্যান্ডের সানগ্লাস। এসব সানগ্লাসেও পোলারাইজড গ্লাস ব্যবহার করা হয়েছে। পোলারাইজড সানগ্লাসের বেশির ভাগই ওভাল শেপের। ফ্রেমের মধ্যেও বিভিন্ন ডিজাইন আছে। কোনো কোনো ফ্রেমে প্রিন্ট করা, কোনো ফ্রেমে স্টোন বসানো। রাউন্ড, স্কয়ার ও ট্রাই-অ্যাঙ্গেল শেপের সানগ্লাসগুলোই তরুণীদের বেশি পছন্দ বলে জানালেন সফিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া শিশুদের জন্যও আছে রঙিন ফ্রেমের সানগ্লাস। লাল, নীল, বেগুনি বা অন্য যে রঙের ফ্রেম আপনার শিশুর ভালো লাগে, তাকে সেটিই কিনে দিন। তবে খেয়াল রাখতে হবে গ্লাসটি যেন প্লাস্টিক না হয়। শিশুদের উপযোগী সানগ্লাসের সঙ্গে বাড়তি বাঁকানো অংশ থাকে, যেটি শিশুর কানের পেছনে শক্তভাবে আটকে থাকবে। এ বাড়তি অংশটি থাকার সুবিধা হলো, শিশু ছোটাছুটি করলেও সহজে খুলে যাবে না। একটা সময় শুধু কালো আর বাদামি রঙের সানগ্লাসই বেশি চোখে পড়ত। সময়ের সঙ্গে এখন সানগ্লাসের ধরন, রং সব বদলেছে। এখন কেবল কালো কিংবা বাদামি রঙের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বাজারে পার্পেল, সাদা, ওয়াটার, কমলাসহ বিভিন্ন রং ও শেপের সানগ্লাস পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন রঙের বর্ডারযুক্ত সানগ্লাসের চাহিদাও বাড়ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্রী শারমিন নাহার বললেন, ‘বর্ডারযুক্ত সানগ্লাসগুলো ওয়েস্টান পোশাকের সঙ্গে মানায়।


                                    মডেলঃ শহীদ সরোওয়ার উদ্দীন শিভলু

তাই টপসের সঙ্গে এগুলোই পরি।’ গায়ের রঙের সঙ্গে মিল রেখে গ্লাসের রং বাছাই করতে পারেন। উজ্জ্বল গায়ের রঙের সঙ্গে স্বচ্ছ, সবুজ ফ্রেম ভালো মানাবে। বাদামি দিব্যি চলে যাবে। ফর্সা চেহারা যাঁদের, তাঁরা উজ্জ্বল বাদামি অথবা গোলাপি শেডের সানগ্লাস ব্যবহার করতে পারেন। আর যাঁদের গায়ের রং একটু কালো, তাঁদের মুখের সঙ্গে মেটালিক ফ্রেম, হালকা বাদামি রঙের সানগ্লাস পরতে পারেন। বাজারে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ডের সানগ্লাস পাবেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মধ্যে ছেলে ও মেয়েদের রিবন, পুলিশ, কেরারা, ফার্স্ট ট্রাক, ওকলে, গুচি, প্রাডা, শ্যানেল, পুমার সানগ্লাসগুলোর দাম পড়বে এক হাজার ৫০০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। মেয়েদের মিউমিউ ও ফ্রেন্ডি ব্র্যান্ডের সানগ্লাস পাবেন এক হাজার ৫০০ থেকে ১৬ হাজার টাকার মধ্যে। নন-ব্র্যান্ডের সানগ্লাস পাবেন ১২০ থেকে এক হাজার ১৫০ টাকায়। শিশুদের ননব্র্যান্ডের বেবিসানগ্লাসের দাম পড়বে ৩০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকার মধ্যে।

কোথায় পাবেন: বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ননব্যান্ডের সানগ্লাস পাবেন নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি, গুলশান পিংক সিটি, সীমান্ত স্কয়ার, যমুনা ফিউচার পার্ক, গুলিস্তানের স্টেডিয়াম মার্কেটসহ রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটের চশমার দোকান ও প্রসাধনীর দোকানে। সানগ্লাসের জন্য বিখ্যাত হলো এলিফ্যান্ট রোড। এখানে সব ধরনের সানগ্লাস পাবেন।
এ ছাড়া শিশুদের জন্যও আছে রঙিন ফ্রেমের সানগ্লাস। লাল, নীল, বেগুনি বা অন্য যে রঙের ফ্রেম আপনার শিশুর ভালো লাগে, তাকে সেটিই কিনে দিন। তবে খেয়াল রাখতে হবে গ্লাসটি যেন প্লাস্টিক না হয়। শিশুদের উপযোগী সানগ্লাসের সঙ্গে বাড়তি বাঁকানো অংশ থাকে, যেটি শিশুর কানের পেছনে শক্তভাবে আটকে থাকবে। এ বাড়তি অংশটি থাকার সুবিধা হলো, শিশু ছোটাছুটি করলেও সহজে খুলে যাবে না। একটা সময় শুধু কালো আর বাদামি রঙের সানগ্লাসই বেশি চোখে পড়ত। সময়ের সঙ্গে এখন সানগ্লাসের ধরন, রং সব বদলেছে। এখন কেবল কালো কিংবা বাদামি রঙের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বাজারে পার্পেল, সাদা, ওয়াটার, কমলাসহ বিভিন্ন রং ও শেপের সানগ্লাস পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন রঙের বর্ডারযুক্ত সানগ্লাসের চাহিদাও বাড়ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্রী শারমিন নাহার বললেন, ‘বর্ডারযুক্ত সানগ্লাসগুলো ওয়েস্টান পোশাকের সঙ্গে মানায়।

Read more at: http://pressbd24.com/bangla/?p=31332

ঈদে বস টু মুক্তি না পেলে কোনো ছবিই মুক্তি পাবে না : আব্দুল আজিজ


ঈদে বস টু মুক্তি না পেলে কোনো ছবিই মুক্তি পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আব্দুল আজিজ। বস টু যৌথ প্রযোজনার সকল নিয়ম নীতিমালা মেনেই নির্মাণ করা হয়েছে। সেহেতু আমি মনে করি বস টু ঈদে অবশ্যই মুক্তি পাবে।

আজ রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে স্যামসন এইচ চৌধুরী মিলনায়তনে ছবির প্রচারণা অনুষ্ঠান ও সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন। যৌথ প্রযোজনার ছবি বস টু'র প্রচারণায় যোগ দেন কলকাতা থেকে আসা ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ। আসন্ন ঈদে যৌথ প্রযোজনার ছবি বস টু-র মুক্তি  নিয়ে সংকট তৈরি করে হয়েছে। বাংলাদেশের সেন্সর বোর্ডের প্রিভিউ কমিটি ইতোমধ্যে ছবিটিকে যৌথ প্রযোজনার নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি মর্মে জানিয়ে মন্ত্রণালয়ে বাকি সিদ্ধান্তের জন্য পাঠিয়েছে।

ঢাকা ক্লাবের সাংবাদিক সম্মেলনে জাজকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, ঈদে যদি একটি ছবি মুক্তি পায় সেটা হবে বস টু। আর বস টু যদি মুক্তি না পায় তাহলে কোনো ছবিই মুক্তি পাবে না। কেননা অন্যনায় ছবিও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
তিনি আরো বলেন, অনেকেই আছে অনর্থক নেতাগিরি করছে। ইন্ডাস্ট্রি না টিকলে কারো নেতাগিরি টিকবে না। মিডিয়ার ওপর নির্ভর করে অনেক প্রযোজকের নেতাগিরি টিকে আছে। যারা কোনো কাজের কাজ করে না। শুধু মিডিয়ায় তাদের টিকিয়ে রেখেছে।

বস টু ছবি মুক্তির আগেই একটি গান নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। ওই গানে বাংলাদেশি অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়ার ঠোঁটে 'আল্লাহ মেহেরবান' কথামালার গান প্রকাশ পায় যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগতভাবে এই নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে। একইসাথে আইনি নোটিশে পাঠানো হয় জাজ মাল্টিমিডিয়ার অনুকূলে। পরে অবশ্য গানের কথায় পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয় জাজ।
 বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া ও ভারতের জিতস ফিল্মওয়ার্কস প্রাইভেট লিমিটেডের যৌথ প্রযোজনায় সিনেমাটি যৌথভাবে নির্মাণ করেছেন কলকাতার বাবা যাদব ও বাংলাদেশের আব্দুল আজিজ।

জিতের বিপরীতে বস টু’তে অভিনয় করছেন কলকাতার শুভশ্রী, বাংলাদেশের নুসরাত ফারিয়া। আরো দেখা যাবে অমিত হাসান, কৌশিক সেন প্রমুখকে। আসছে ঈদে সিনেমাটি মুক্তি পাবার কথা।

আসিফ-বালাম-ইমরানের ‘মুমিন হতে চাই’

প্রথমবারের মতো একসঙ্গে গাইলেন জনপ্রিয় তিন সঙ্গীতশিল্পী আসিফ আকবর, বালাম এবং ইমরান। তবে কোনো রোমান্টিক গান নয়। ইসলামিক গান। শিরোনাম ‘মুমিন হতে চাই’। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে গানটি প্রকাশ করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন।

‘আল্লাহ তোমার নূরের দেখা আমি পেতে চাই/দ্বীনের পথে হেঁটে হেঁটে মুমিন হতে চাই’- এমন কথার গানটি লিখেছেন গোলাম কবীর রনী। গানটিতে সুর দিয়েছেন এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন মীর মাসুম। গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন শাহরিয়ার পলক।

মাহে রমজানের বিশেষ এই গানটি নিয়ে আসিফ আকবর বলেন, ‘প্রথমবারের মতো গাইলাম একটি ইসলামিক গান। আমার সাথে আছে বালাম এবং ইমরান। মেলোডি সুর, চমৎকার শব্দচয়নের এই গানটি মানুষকে মনে করিয়ে দেবে সৃষ্টিকর্তার অপার মহিমার কথা। আশা করছি গানটি সবার হৃদয়কে নাড়া দেবে।’


মুক্তি পেলো কাওসার জামানের একক গানের অ্যালবাম " স্মৃতির গল্প"



সম্প্রতি ইউটিউবে মুক্তি পেল শ্রোতাপ্রিয় গায়ক কাওসার জামানের  একক গানের  অ্যালবাম "স্মৃতির গল্প" ।
 অ্যালবামের টাইটেল গান  "স্মৃতির গল্প" লিখেছেন শামীম পারভেজ,সুর করেছেন নোমান সজীব এবং সংগীত পরিচালনা করেন আতিকুর রহমান আতিক।  অ্যালবামটি YR মিউজিকের ব্যানারে মুক্তি পায়।

 এই  অ্যালবামের উল্লেখ যোগ্য একটি গান হলো "অসমাপ্ত ভালোবাসা", যা শ্রোতাদের কাছে বেশ ভাল লেগেছে বলে জানিয়েছেন কাওসার জামান। অসাধারণ এই  গানটিতে কাওসার জামানের সাথে সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নদী।

তিনি আরো জানান, ২০০০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন থেকে গানের প্রতি ঝুকেঁ ছিলাম,
তখনই গিটারের হাতে খড়ি,তারপর থেকে এই পথচলা।  
এটি আমার প্রথম একক অ্যালবাম,এর আগেও কিছু মিক্স  অ্যালবামে কাজ করেছি।
এই অ্যালবামের সব গান গুলো আমার ভাল লেগেছে,
আশা করি শ্রোতাদের ও ভাল লাগবে।

কন্ঠশিল্পী নয়ন খানের ‘দিন কাটেনা’

দীর্ঘদিন গানের সাথে যুক্ত আছেন কণ্ঠশিল্পী নয়ন খান। বাজারে তার একাধিক ব্যবসাসফল এলবাম রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় শ্রোতাপ্রিয় শিল্পী ‘দিন কাটেনা’ শিরোনামের একটি মিষ্টি প্রেমের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। গানটি রচনা করেছেন নয়ন খান নিজেই। সুর সংগীত পরিচালনা করেছেন সময়ের ব্যস্ত শিল্পী ও সংগীত পরিচালক এফ এ সুমন। সম্প্রতী জি সিরিজের ব্যানারে গানটির একটি নয়নাভিরাম মিউজিক ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
পাশাপাশি নয়ন খানের ভক্ত শ্রোতারা গানটির নিজস্ব উদ্যোগে তৈরী করা কিছু মিউজিক ভিডিও ইউটিউবে রিলিজ করেছে। গানটির মাধ্যমে বর্তমানে নয়ন খান এক পরিচিত মুখে পরিনত হয়েছেন। সব কিছু মিলিয়ে গানটির ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন নয়ন খান।
গানটি সম্পর্কে শিল্পী জানান, ‘আমার স্বপ্নের মানুষ এফ এ সুমন ভাই। ভাইয়ের অগণিত ভক্তের মধ্যে আমিও তার গানের-তার কাজের ভীষণ ভক্ত।আমার অনেক দিনের আশা  ছিল ভাইয়ের সাথে একটি কাজ করব। এই গানটির মাধ্যমে আমার সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটল। অনেক যতœ করে ভাই আমার জন্য গানটি তৈরী করেছেন। আমি ভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞ এমন সুন্দর একটি গান আমার মাধ্যমে শ্রোতাদের সামনে উপস্থাপন করার জন্য। শ্রোতারা এই গানের মাধ্যমে আমাকে নতুন করে আবিষ্কার করবেন।’
গানটি সম্পর্কে এফ এ সুমন বলেন, ‘আমি সব সময় নতুনদের জায়গা করে দেই। নতুন হলেও নয়ন খান অনেক ভাল গায়।আমার সুর সংগীতে ‘দিন কাটেনা’ গানটি সে অনেক ভাল গেয়েছে, শ্রোতারাও তাকে অনেক ভাল ভাগে গ্রহন করেছে। আমি নয়ন খানের সাফল্য কামনা করি।’

ইউটিউবে কাজী শুভ ও রাফাতের ‘রোজাদার’

মাহে রমজান হলো তাকওয়া অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণের মাস। এ মাসের লক্ষ্য হলো রমজানের বাইরের বাকি ১১মাস রমজানের মতো পালন করার সামর্থ্য অর্জন করা, দেহকে হারাম খাদ্য গ্রহণ ও হারাম কাজ থেকে বিরত রাখা এবং মনকে অপবিত্র চিন্তাভাবনা, হারাম কল্পনা ও পরিকল্পনা থেকে পবিত্র রাখা।

মাহে রমজানের এই পবিত্রতার কথা চিন্তা করেই ‘ধ্রুব মিউজিক স্টেশন’ তাদের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করেছে জনপ্রিয় দুই সুফী গানের শিল্পী কাজী শুভ এবং শাহরিয়ার রাফাতের মাহে রমজানের পবিত্রতার গান ‘রোজাদার’।

‘হে রোজাদার রাখো রোজা/ রোজা রাখার মতো’ এমন কথার গানটি লিখেছেন- আবু তাহের বেলাল, সুর করেছেন- হরি মোহন দেবনাথ এবং সঙ্গীতায়জন করেছেন-মীর মাসুম।

গানটি প্রসঙ্গে কাজী শুভ বলেন, গানটিতে মহান আল্লাহর আদেশ রোজা শুদ্ধভাবে পালনের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি রোজার পবিত্রতা রক্ষার কথা বলা হয়েছে। গানটির সুর করা হয়েছে হামদ-নাত এর আদলে। আশা করছি গানটি সবার ভালো লাগবে। পাশাপাশি দর্শক-শ্রোতা রোজার আদব সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

গানটির ভিডিও নিয়ে রাফাত বলেন, একজন রোজাদার ব্যক্তি যে রোজা রাখা অবস্থায় কোনো অন্যায় কাজ করতে পারে না, কিংবা করলেও তিনি অনুশোচনায় ভোগেন। গানিটির ভিডিওতে দর্শক-শ্রোতা এমনটাই দেখতে পাবেন। পাশাপাশি মহান আল্লাহর দরবারে নিজেকে সপে দেয়ার বিষয়টিও উঠে এসেছে ভিডিওতে। এই ভিডিওটি একটু হলেও একজন ধর্মপ্রাণ মানুষের হৃদয়কে নাড়া দেবে।

গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন রায়হান রাফি। ১০ রমজান সেহরি এবং ইফতারের মাঝামাঝি সময়ে ‘ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করা হয় রোজাদার গানটির ভিডিও।

কলকাতায় আজীবন সম্মাননা পেলেন নায়করাজ

সিনেমা জগতে বিশেষ অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতার নজরুল মঞ্চে আয়োজিত ১৬তম টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ডে আজীবন সম্মাননা গ্রহণ করেন রাজ্জাক। তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী ডা: শশী পাঁজা।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় বাংলা ছবির অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি, প্রখ্যাত অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক, শুভাশিস ব্যানার্জি, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, ইন্দ্রানী দত্ত, অনামিকা সাহা প্রমুখ। রাজ্জাকের সঙ্গেই বাংলা ছবির আরেক প্রখ্যাত অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিককেও আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

সম্মাননা গ্রহণের পর নায়করাজ রাজ্জাক বলেন, ‘শিল্পীদের কোনো জাত নেই, দেশ নেই। আজকে আমার ভাল লাগছে এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে টেলি সিনে অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছি। এবং আমাকে আজীবন সম্মানা দেয়া হচ্ছে’।


পাশে দাঁড়ানো রঞ্জিত মল্লিককে উদ্দেশ্য করে নায়করাজ বলেন, ‘রঞ্জিত মল্লিক আমার অত্যন্ত প্রিয় একজন মানুষ। তার সঙ্গে আমি ছবি করেছি। এখানকার শিল্পীরাও অত্যন্ত ভালো, সকলের সঙ্গেই আমার ভালো সম্পর্ক রয়েছে’।

এর আগে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী গৌতম দেব, অভিনেত্রী ও তৃণমূল বিধায়ক দেবশ্রী রায়, অভিনেতা শুভাশিস ব্যানার্জি প্রমুখ।

দুই বাংলার চলচ্চিত্রে জনপ্রিয়তার কারণে নুসরাত ফারিয়া-কেও এদিন পুরস্কৃত করা হয়। সংগীতে বাংলাদেশ থেকে পুরস্কার পান ব্যান্ডশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু, কন্ঠশিল্পী কনা ও হাবিব ওয়াহিদ। এছাড়াও কলকাতার টেলি জগতের বেশ কয়েকজন শিল্পীকেও এদিন পুরস্কৃত করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০০০ সাল থেকে চলচ্চিত্র জগতে বিশেষ অবদানের জন্য কলকাতার টেলিভিশন এবং সিনেমার কুশীলবদের সম্মাননা জানিয়ে আসছে কলকাতার টেলি সিনে সোসাইটি।

রোজা রাখছি, নামাজও পড়ছি : অপু

ঢালিউডের এক নম্বর জুটি শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের বিয়ে ও সন্তানের খবর এখন কারো কাছেই অজানা নেই। বিয়ের পর চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ধর্ম এবং নাম বদলে হয়েছেন অপু ইসলাম খান। শুধু তাই নয় বিয়ের পর থেকে নিয়মিত নামাজ, রোজাও পালন করছেন এই অভিনেত্রী।

এ বিষয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমি রোজা রাখছি, নামাজও পড়ছি। আমার ছেলের মাত্র নয় মাস বয়স। তাকেও সময় দিতে হচ্ছে। কিছু দিনের মধ্যে আবার চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করব। এর জন্যও প্রস্তুত নিচ্ছি। নিয়মিত জিমও করছি।’

কবে থেকে রোজা রাখছেন জানতে চাইলে অপু বলেন, ‘২০০৮ সালে শাকিবের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পরের বছর থেকে প্রতি রমজানে আমি রোজা রেখেছি। শাকিব তো সব সময় রোজা রাখে। তার কাছ থেকে রোজা রাখার উৎসাহ পেয়েছি। তবে তখন তো গোপনে রোজা রাখতাম। এখন প্রকাশ্যে রোজা রাখছি। ২০১০ সাল থেকে নামাজও পরতে শুরু করেছি আমি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাকে কেউ নামাজ শেখায়নি। আমি নিজে বই পড়ে নামাজ শিখেছি। সব সময় নামাজ পড়ে স্বামীর জন্য মঙ্গল কামনা করেছি। এখনো করি।’

শাকিবের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার সময় অপু বিশ্বাসের নাম অপু ইসলাম খান রাখা হয়। নিজের কোন নামটা ভালো লাগে জানতে চাইলে অপু বলেন, ‘আমি সমসময় অপু বিশ্বাস নাম নিয়ে সবার মাঝে বেঁচে থাকতে চাই। কারণ এই নামেই আমি পরিচিত। আর অপু ইসলাম খান আমার নতুন জীবনের নাম। এই নামও আমার কাছে খুব পছন্দের।’

বুলবুল বিশ্বাস পরিচালিত ‘রাজনীতি’ ছবির শুটিং শেষ না করেই গত বছরের মার্চে হঠাৎ ‘নিখোঁজ’ হয়ে যান ‘ঢালিউড কুইন’খ্যাত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। তখন থেকেই সবার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন তিনি। অনেকটা ইচ্ছে করেই তিনি চলে যান লোকচক্ষুর অন্তরালে।

এরপর গত ১০ এপ্রিল সন্তান নিয়ে আবারও দেশে ফেরেন জনপ্রিয় এই নায়িকা। এর কিছুদিন পরই একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের লাইভ অনুষ্ঠানে এসে নিজের বিবাহিত জীবন, সন্তান আব্রাম খান জয়ের জন্ম ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন শাকিবপত্নী অপু।

জি-সিরিজ থেকে মুক্তি পাচ্ছে টি এম রাসেলের মিউজিক ভিডিও

আসছে ঈদ উপলক্ষে জি- সিরিজ ব্যানার থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে কন্ঠশিল্পী টি এম রাসেলের "ভালোবেসে কি পেলাম" শিরোনামে একটি মিউজিক ভিডিও। গানটি লিখেছেন এবং সুর করেছেন মালেয়েশিয়া প্রবাশী জসিম মাহমুদ জীবন। সংগীত পরিচালক এ পি তুষার। গানটিতে মডেল হয়েছেন মিলন খান ,শুভ ও লাবন্য তিশা। ভিডিও পরিচালনায় ছিলেন রুমেল ইশতিয়াক।

সম্প্রতি ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের বিভিন্ন লোকেশনে গানটির চিত্রায়ন করা হয়েছে। গানটি প্রসঙ্গে সংগীত পরিচালক এ পি তুষার বলেন,,গানটির কথা,সুর,মিউজিক, ও গায়কি খুবই চমৎকার হয়েছে। আমি খুবই আশাবাদী দর্শকের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে গানটি।


এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শিল্পী টি এম রাসেল বলেন আমি চেষ্টা করেছি দর্শকের ভালো লাগার মত কিছু করতে। আশা করি সবার হৃদয়ে স্থান করে নিবে গানটি।

শাকিব অনেক নায়িকার সাথেই দুষ্টুমি করে থাকে- অপু


 দেড় বছরের আড়াল ভেঙে গত ১০ এপ্রিল হঠাৎ করেই গণমাধ্যমে বিয়ে ও পুত্র সন্তানের খবর নিয়ে হাজির হয় ‘ঢালিউড কুইন’খ্যাত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। এবার আবারো নিজের ব্যক্তিজীবনের নানান কথা নিয়ে আরেকটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলেন তিনি।

‘সেন্স অব হিউমার’ শিরোনামের অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সাম্প্রতিককালের ঢালিউডের এই আলোচিত চিত্রনায়িকা। শনিবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে অনুষ্ঠানটি এটিএন বাংলায় প্রচারিত হবে। শাহরিয়ার নাজিম জয়ের উপস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানে অপু কথা বলেছেন ব্যক্তি ও কর্মজীবনের নানা প্রসঙ্গ নিয়ে।

যেখানে উঠে এসেছে নায়িকার সংসারের যত মিষ্টি-মধুর সব স্মৃতি কথা। অপু বিশ্বাস ও অনুষ্ঠানের উপস্থাপকের মধ্যেকার কথোপকথনের কিছু অংশ এরইমধ্যে সামাজিকযোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অপু বিশ্বাসের ব্যক্তিজীবনের আলোচনায় এক পর্যায়ে নির্মাতা ও অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয় তার কাছে জানতে চায় শাকিব-বুবলির সম্পর্কের গুঞ্জন প্রসঙ্গে। এসময় অপু বলেন, ‘শাকিব অনেক নায়িকার সাথেই দুষ্টুমি করে থাকে। ফোন করে বলে বেবি আমি বুঝতে পারছি না কেনো তোমাকে এতো ভাবছি। আমি বোধ হয় তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।’

এ নায়িকা আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় বুবলিকে শাকিব বলেছে আমার তো কোনো মেয়ের সঙ্গে সর্ম্পক নেই। ও জাস্ট ফরগেট ইট। অপুকে? অপুকে তো চিনি না। এই কথা হয়ত বলেছে। সে (বুবলি) হয়ত বিশ্বাস করেছে। হয়তো তার কাছে আরো অনেক কথা লুকিয়েছে সে।’

এ সময় উপস্থাপক জয় বলেন, ‘তার মানে বুবলি শাকিবকে সত্যি সত্যি ভালোবেসেছিলো। কিন্তু শাকিব তার সাথে শুধুই দুষ্টুমি করেছিলো।’ জয়ের এ কথায় সমর্থন জানিয়ে অপু বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি তো শাকিবের স্ত্রী এবং এই দুষ্টুমিগুলো শাকিব আমার সামনেই করতো।’

এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে অপু বিশ্বাস তার স্বামী শাকিব খান ও ঈদে মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রাজনীতি’ ছাড়াও আরো অনেক বিষয়ে বেশ খোলামেলা কথা বলেছেন।

ঈদে ‘বাংলা ঢোল’ গানের এক অ্যালবাম নিয়ে কুমার বিশ্বজিৎ



চিরসবুজ গায়ক কুমার বিশ্বজিৎ আসছে ঈদে নতুন তিনটি গান নিয়ে শ্রোতাদের মাঝে উপস্থিত হতে যাচ্ছেন। ‘বাংলা ঢোল’র ব্যানারে ঈদে এই তিনটি গানের একক অ্যালবাম উপহার দেবেন তিনি।

তিনটি গানের দুটি গান লিখেছেন শহীদুল্লাহ ফরায়েজী ও আহমেদ রিজভী এবং আরেকটি গান কালা শাহ’র প্রচলিত ফোক গান। শহীদুল্লাহ ফরায়েজীর লেখা ‘তুমি থাকো তারার দেশে মুগ্ধ সারা মাস’ গানটির সুর সঙ্গীতায়োজন করেছেন কুমার বিশ্বজিৎ নিজেই। আহমেদ রিজভীর লেখা ‘কতো ফাগুন এনে দিলে তোমার হৃদয় গলবে’ গানটির সুর সঙ্গীতায়োজন করেছেন কিশোর।

কালা শাহ’র প্রচলিত ফোক গান ‘আমার মুরশীদ পরশ মনিগো, লোহারে বানাইলো কাঞ্চা সোনা’ গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন কুমার বিশ্বজিৎ অ্যান্ড ফ্রেন্ডস। এরইমধ্যে তিনটি গানেরই রেকর্ডিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে।

ডিজিটাল ফরমেটে গানগুলো শ্রোতাদের হাতে তুলে দেয়া হবে। কুমার বিশ্বজিৎ জানান, আসছে ঈদে আপাতত শ্রোতারা অডিও শুনতে পেলেও কোরবানির ঈদে তিনটি গানেরই মিউজিক ভিডিও পাবেন। আসছে ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনে মাহফুজার রহমান এবং এটিএন বাংলায় রুমানা আফরোজের প্রযোজনায় সঙ্গীত পরিবেশন করবেন।

এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘আনন্দ মেলা’য় সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। ঈদ কিংবা বিশেষ দিবস আসলেই কি নতুন গান করতেই হয়? এমন প্রশ্নের জবাবে কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, বিশেষ দিবস এলেই যে নতুন গান করতেই হবে, আমার ক্ষেত্রে এমন ধরাবাঁধা নিয়মি নেই। আমি সবসময়ই গান নিয়ে ব্যস্ত থাকি। আমার নিজের ভালোলাগলেই তা রেকর্ড করি। তবে যারা আমার গানকে নিয়ে ব্যবসা করেন তারা চান বিশেষ দিবসে গানগুলো প্রকাশ করতে, কারণ বিশেষ দিবসে শ্রোতা দর্শকেরও নতুন গানের প্রতি বিশেষ আগ্রহ থাকে। শ্রোতা দর্শকের প্রত্যাশা পূরণের দাস আর দাসী আমরা। সে ক্ষেত্রে কখনো আমরা শ্রোতাদের প্রত্যাশা পূরণে সফল আবার কখনো ব্যর্থ।

জীবিকার তাগিদে কি করছেন মৌসুমী হামিদ?

জীবিকার তাগিদে মৌসুমি গ্রামের ধান মাড়ানোর মিলের কাজ করেন। গ্রামের নানা প্রতিকূল অবস্থায় তিনি লড়ে যান। জীবিকার তাগিদে এভাবেই এগিয়ে যায় মৌসুমীর জীবন। এমন একটি নারী কেন্দ্রিক গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে নাটক ‘গোলাপজান’। সুমন আনোয়ারের রচনা ও পরিচালনায় নাটকটিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন লাক্স তারকা মৌসুমি হামিদ। এছাড়া আরও অভিনয় করছেন আবুল কালাম আজাদ।

মৌসুমি হামিদ বলেন, একেবারে গ্রামের সংগ্রামী একজন নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছি। আমাদের দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন নারী হরহামেশাই খুঁজে পাওয়া যায়। অনেক খাটতে হয়েছে গোলাপজানের জন্য। দর্শকদের কাছে জাকটি ভালো লাগলে পরিশ্রম সার্থক হবে।
আগামী ঈদে একটি বেসরকারি চ্যানেলে প্রচার হবে।