স্ন্যাক আজাদের গানের মডেল হলেন মিলন খান ও ঊম্মে মেলিসা


প্রিয়তমা নামক শিরোনামে মিউজিক ভিডিও টি নির্মান করা হয়েছে জানা গেছে এই ভিডিওটি কলের গান মাল্টিমিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাবে এবং কয়েকটি টিভি চ্যানেলে দেখানো হবে।

প্রিয়তমা গানের কথা লিখেছেন শিল্পি স্ন্যাক আজাদ। গানটির সুর ও সংগীত করেছেন রাজেশ ঘোষ।গানটি নিয়ে স্ন্যাক আজাদ অনেক আশাবাদী।গানটি সম্পর্কে মডেল মিলন খান বলেন গানটি অসাধারন হয়েছে ,চিত্রায়নটাও অনেক সুন্দর হয়েছে।গানটির চিত্রায়নে ছিলেন জি স্বাধীন। সব মিলিয়ে অনেক ভাল একটা কাজ হয়েছে।



আশা করি ভিডিও টি সবার ভাল লাগবে
প্রিয়তমা গানটির সম্পর্কে মডেল উম্মে মেলিসার অনুভুতি।প্রথমত গানটি আমার কাছে অনেক শ্রুতিময় ছিলো।গানটির মিউজিক ভিডিও নির্মান টা অনেক ভালো লেগেছে তাই এ কাজটি করতে পেরে আমি খুব আনন্দিত।আমি আশা রাখি এই ভিডিওটি দর্শক ভালোভাব গ্রহন করবে।এই কাজ দিয়ে মিডিয়াতে আমার প্রথম পদচারণা হলো।আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন যাতে আমি আপনাদের আরো অনেক ভালো কাজ উপহার দিতে পারি।
যৌথ প্রযোজনা ছবির নীতিমালার খসড়া

যৌথ প্রযোজনা ছবির নীতিমালার খসড়া

যৌথ প্রযোজনা ছবির নীতিমালার খসড়া

যৌথ প্রযোজনার নীতিমালা নিয়ে অনেকদিন ধরেই চলছে বিভিন্ন সমালোচনা। আর এই সমালোচনার মূল কারণ সংশ্লিষ্টদের দ্বিমত। তাই সুষ্ঠু একটি নীতিমালা নিয়ে আলোচনা চলছিল অনেকদিন ধরেই। শেষ পর্যন্ত একটি নীতিমালা নির্ধারণ করা হলো। নীতিমালায়  বলা হয়েছে যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্রে শিল্পী-কলাকুশলীর সমানুপাত বাধ্যতামূলক করে নতুন নীতিমালার খসড়া করেছে সরকার। 
 
তথ্য মন্ত্রণালয় এ খসড়াটি করেছে। প্রচার সামগ্রীতে সংশ্লিষ্ট সব দেশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের নাম সমানভাবে ও গুরুত্বসহকারে উল্লেখ থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব দেশের শিল্পীর ছবি সমানভাবে প্রদর্শন করার কথাও বলা হয়েছে খসড়া নীতিমালায়। শিল্পী ও কলাকুশলীর অনুপাতে বৈষম্য, প্রচারণায় বাংলাদেশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের অবজ্ঞাসহ নানা কারণে বিগত সময়ে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র নিয়ে বিতর্ক ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়। 
 
সর্বশেষ গত ৯ জুলাই ‘চলচ্চিত্র পরিবার’ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে দেশের চলচ্চিত্রের স্বার্থে যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণ নীতিমালা দ্রুত যুগোপযোগী ও পূর্ণাঙ্গ করে নতুন নীতিমালা তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় তথ্য মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণ কার্যক্রম স্থগিত রাখারও সিদ্ধান্ত হয়। 
 
সেই থেকে যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ২০১২ সালের নীতিমালাকে ভিত্তি ধরে নতুন নীতিমালাটি করা হয়েছে।
আবারও বিয়ে করেছেন হৃদয় খান

আবারও বিয়ে করেছেন হৃদয় খান


শোবিজে চারপাশে ভাসছে খবর- আবারও বিয়ে করেছেন কণ্ঠশিল্পী হৃদয় খান। গত ৯ সেপ্টেম্বর শনিবার হয়েছে তার গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান এবং রোববার ১০ সেপ্টেম্বর সেরেছেন বিয়ের পর্ব। বিষয়টি নিজের দিক থেকে এখনও গোপন রেখেছেন এই সংগীত তারকা।
কিন্তু মুখে মুখে রটে গেছে হৃদয় খানের বিয়ের খবর। পাওয়া গেছে নতুন কনের সঙ্গে তার বিয়ের ছবিও। বিয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে জাগো নিউজ থেকে যোগাযোগ করা হলে হৃদয় খান ফোন ধরেননি। এমনকি হৃদয় খানের বাবা সংগীত পরিচালক রিপন খানও বড় ছেলের বিয়ের প্রসঙ্গে মুখ খুলেননি। তিনি মিটিংয়ে আছেন দাবি করে এই প্রতিবেদকের ফোন কেটে দেন। আর হৃদয়ের ছোট ভাই সংগীতশিল্পী প্রত্যয় খান এই ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন।
হৃদয়ের ঘনিষ্ঠজনরাও বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারছেন না। তবে অনেকেই বিয়েটি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন। এবং হৃদয়ের সঙ্গে লাল শাড়ি পরা মেয়েটিকেই হৃদয়ের বউ বলে দাবি করছেন। তাদের ভাষ্য, হৃদয়ের জন্য গেল কয়েক মাস ধরেই মেয়ে দেখছিলো তার পরিবার।
হৃদয় খানও গণমাধ্যমে বলে আসছিলেন, ‘বিয়ের জন্য পরিবার থেকে মেয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত।’ তাই এই ছবিকে কেন্দ্র করে জোরালো হচ্ছে তার বিয়ের খবরের সত্যতা।
এদিকে হৃদয়ের বিয়ের খবর দেয়া সূত্রটি জানিয়েছে, হৃদয়ের নতুন বউয়ের নাম হুমায়রা, যিনি থাকেন মালয়েশিয়া। অনেকদিন ধরেই প্রেম চলছিলো তাদের মধ্যে। অবশেষে ভালোবাসা রূপ নিয়েছে শুভ পরিণয়ে। পারিবারিকভাবে দাম্পত্যে জড়ালেন হৃদয় ও হুমায়রা।
এটি হৃদয় খানের তৃতীয় বিয়ে। ২০১০ সালের শুরুর দিকে পূর্ণিমা আকতার নামের একজনকে বিয়ে করেছিলেন এই সংগীত তারকা। ছয় মাসের মাথায় সেই সংসার ভেঙে যায়। তার আগে সাত বছর প্রেম করেন নওরীন নামের আরেকজন মেয়ের সঙ্গে। অন্যদিকে ২০১৪ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেন মডেল সুজানাকে। তার সেই বিয়ে টিকেছিল মাত্র আট মাস।
কণ্ঠশিল্পী ইমরানের বাবা আর নেই

কণ্ঠশিল্পী ইমরানের বাবা আর নেই



জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুলের বাবা মোজাম্মেল হক আজ দুপুর ১টা ২০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।

জানা গেছে, মোজাম্মেল হক হৃদরোগে আক্রান্ত থাকলেও সম্প্রতি তিনি বেশ সুস্থই ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে গাড়ি মেরামত করার জন্য বেরিয়েছিলেন। গাড়ি ঠিক করে আসার পথেই বুক ব্যথা অনুভব করেন। বাসায় ফেরার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময়ই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
হুট করেই বাবাকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ হয়ে গেছেন ইমরান। সবার কাছে তার বাবার জন্য দোয়া চেয়েছেন। এছাড়া ইমরানের শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন সঙ্গীতাঙ্গনের তারকারা।

আর অভিনয় করবেন না মিশা


তিন দশকের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার ইতি টানছেন ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা সওদাগর। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তিনি আর অভিনয় করবেন না।
দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাক্ষাতকারে মিশা সওদাগর এমন তথ্য জানিয়েছে। তিনি বলেন, আমি অনেক ভেবেচিন্তে কথাগুলো বলছি, অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চলচ্চিত্রে অনেক দিন তো হলো, এবার নিজের জন্য একটু সময় দিতে চাই। মহরত, শুটিং, ডাবিং, প্রিমিয়ার -এসব করেই তো জীবনের অনেকটা সময় পার করে দিয়েছি।
মিশা আরও বলেন, আমি টাকার জন্য বাঁচতে চাই না, নিজের জন্য বাঁচতে চাই। একই ধরনের চরিত্র, প্রায় একই ধরনের সংলাপ। আর কত? কোনো বৈচিত্র্য নেই। বৈচিত্র্যহীন কাজ করতে আর চাই না। চলচ্চিত্রকে আর পেশা হিসেবে দেখব না। যদি আমার বয়স আর সময় বুঝে কেউ তেমন কোনো চরিত্র নিয়ে আসে, আর তা যদি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে তেমন কাজ হয়তো মাঝে মাঝে করব। কিন্তু পেশা হিসেবে আর নয়।
হাতে থাকা ছবিগুলোর কাজ এই বছরেই শেষ করবেন বলে জানান মিশা। তিনি বলেন, কারও সঙ্গে আমার কোনো বৈরিতা (শত্রুতা) নেই। এ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত। আমি চলচ্চিত্র ছাড়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি সেটি একেবারেই চূড়ান্ত।
অভিনয় ছাড়লেও চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সঙ্গে থাকবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, আমি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি। সংগঠনে পর্যাপ্ত সময় দেব। চলচ্চিত্রের গুণগত পরিবর্তনের জন্য কাজ করব।
এ বিষয়ে ঢাকাই ছবির এ খল নায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘আমার যা বলার সব ওখানেই (সাক্ষাতকার) বলে দিয়েছি। আমি এ সিদ্ধান্ত ভেবে চিন্তেই নিয়েছি।’
১৯৮৬ সাল থেকে মিশা সওদাগর চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। এফডিসি আয়োজিত নতুন মুখ কার্যক্রমে নির্বাচিত হন তিনি। ছটকু আহমেদ পরিচালিত চেতনা ছবিতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করেন ১৯৯০ সালে। এরপর অমরসঙ্গী ছবিতেও তিনি নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন, কিন্তু দুটোর একটিতেও সাফল্য পাননি।
পরবর্তীতে বিভিন্ন পরিচালক তাকে খল চরিত্রে অভিনয়ের পরামর্শ দেন এবং তমিজ উদ্দিন রিজভীর ‘আশা ভালোবাসা’ ছবিতে ভিলেন চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন। সেখান থেকেই তার সাফল্য শুরু। এরপর প্রায় ৯০০ ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন এ খল নায়ক।
উল্লেখ্য, চলচ্চিত্রের উন্নয়নের দোহাই দিয়ে নামকাওয়াস্তে যৌথ প্রযোজনায় ছবি বানানোর ঘোর বিরোধী ঢাকাই ছবির দাপুটে খল অভিনেতা মিশা সওদাগর।
গত ২৬ জানুয়ারি শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে ‘নীতিগতভাবে আমরা এক, চলচ্চিত্র শিল্পীদের মিলনমেলা ও মতবিনিময়’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এখন যৌথ প্রযোজনার নামে যা হচ্ছে তা আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য মঙ্গলজনক নয়। এটা চলচ্চিত্রের কফিনে পেরেক ঠুকে দেয়ার মতোই। যৌথ প্রযোজনার যে নিয়ম তা এখন কেউই মানছে না

এবার বাংলা আইটেম গানে সানি লিওন

     


জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’ দিয়ে বলিউডে আগমন ঘটা সানি লিওন এখন বলিউডের রুপালি পর্দা কাপাচ্ছেন। নীল দুনিয়া ছেড়ে বলিউডে আসা এ তারকা এবার বাংলা ভাষাভাষি ভক্তদের আরও কাছে আসলেন। কলকাতার এক ছবির বাংলা গানে ঠোট মিলিয়ে নাচলেন তিনি।র বাংলা গানে ঠোট মিলিয়ে নাচলেন তিনি।

কলকাতার ‘শ্রেষ্ঠ বাঙালি’ নামে একটি বাংলা ছবির আইটেম গানে দেখা যাবে এ বলিউড তারকাকে। স্বপন সাহা পরিচালিত ছবিটিতে আইটেম গানে নেচেছেন সানি। অঞ্জন ভট্টাচার্য, মমতা শর্মা ও দেব নেগির গাওয়া এই গানটির সংগীতায়োজন করেছেন অঞ্জন ভট্টাচার্য।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউটিউবে জি মিউজিক বাংলা চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতার ‘শ্রেষ্ঠ বাঙালি’ ছবির এ আইটেম গান। গানটির শিরোনাম ‘চাপ নিস না’। গানের দৃশ্যে সানি লিওনের সঙ্গে পারফর্ম করেছেন রিজু। সঙ্গে একদল নৃত্যশিল্পীও রয়েছেন।

গানটি ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই লক্ষাধিকবার দেখা হয়েছে এবং সাড়ে তিনশোরও অধিক মতামত লেখা হয়েছে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে গানটি বাংলা ভাষাভাষিদের মাঝে ভালোই আলোড়ন ছড়াবে।
স্বপন সাহার পরিচালনায় ‘শ্রেষ্ঠ বাঙালি’ ছবিটি প্রযোজনা করছেন পার্থ পবি। চলতি বছরের শেষ দিকে এটি মুক্তি পেতে পারে বলে জানা গেছে।
অ্যাম্ফি থিয়েটারে ‘ঢালিউড ব্লাস্ট’:যাচ্ছে একঝাঁক তারকা

অ্যাম্ফি থিয়েটারে ‘ঢালিউড ব্লাস্ট’:যাচ্ছে একঝাঁক তারকা


আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ওমানের রাজধানী মাস্কটের কুরুম সিটি অ্যাম্ফি থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ঢালিউড ব্লাস্ট’ নামের সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের জমকালো আসর। সেখানে পারফর্ম করার জন্য ওমান যাচ্ছেন বাংলাদেশের একঝাঁক তারকা।
তারকাদের মধ্যে আছেন শাকিব খান, বিদ্যা সিনহা মিম, নিরব, আসিফ আকবর, কুদ্দুস বয়াতি, পড়শী, প্রীতম হাসান, বিপাশা কবির, সিদ্দিক, ডন ও আইরিন। নাচে গানে ওমানের মঞ্চ মাতাবেন তারা। অনুষ্ঠানের একদিন আগেই (১৩ সেপ্টেম্বর) সেখানে পৌঁছাবেন তারা। অনুষ্ঠান শেষে দেশে ফিরবেন আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর।

অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে তৌফিক ইউনাইটেড কোম্পানি এলএলসি ও তৌফিক ইউনাইটেড কোম্পানি এলএলসি এর ব্যবস্থাপক তৌফিক-উদ-জামান পলাশ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন ও লাইভ টেকনোলজিস। উপস্থাপনা করবেন সাংবাদিক তানভীর তারেক ও কলকাতার পায়েল।

মাত্র ২ দিনেই ৩ লাখ ছাড়িয়েছে ইলিয়াস-অরিনের "না বলা কথা-৪"


২০১২ সালে ‘না বলা কথা বলে দিতে চাই’ গানটি গেয়ে ইলিয়াস হোসেন শ্রোতাদের মন জয় করেছিলেন। পেয়েছেন বিপুল জনপ্রিয়তা। তারই ধারাবাহিকতায় না বলা কথা গানের সিক্যুয়াল করেছেন টু এবং থ্রি। এ দুটি অ্যালবামও সাফল্য পেয়েছে। এবার না বলা কথা-৪ দিয়ে ইউটিউব মাতাচ্ছেন জনপ্রিয় এ কণ্ঠশিল্পী।
মাত্র ২ দিনেই ইউটিউব ভিউয়ার ছাড়িয়েছে ৩ লাখেরও বেশী। মাই সাউন্ডের ব্যানারে তৈরি হওয়া অ্যালবামের টাইটেল গানটি ইলিয়াসের সাথে যথারীতি এবারও গেয়েছেন অরিন। কাজী শুভর সুরে রাফির সঙ্গীতায়োজনে লিখেছেন জাহিদ আকবর। এরইমধ্যে টাইটেল গানটির মিউজিক ভিডিওর শুটিং শেষ হয়েছে। গানে মডেল হয়েছেন এ সময়ের জনপ্রিয় মডেল অন্তু করিম ও মৌ । মিউজিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন সৌমিত্র ঘোষ ইমন।  ঈদের আগেই ভিডিওটি প্রকাশ পাবে বলে জানা যায়। 
তাছাড়া একই অ্যালবামে ইলিয়াসের সাথে ‘বুঝে নিও’ শিরোনামের আরেকটি দ্বৈত গান গেয়েছেন ন্যান্সি। এবারের অ্যালবাম প্রসঙ্গে ইলিয়াস হোসেন বলেন, ২০১২ সালে আমার না বলা কথা অ্যালবামটি প্রকাশিত হয়েছিল। সেই থেকে অগণিত ভক্তের ভালবাসায় ধন্য আমি। আমার জীবনে ভক্তদের যে ভালবাসা পেয়েছি, তা সীমাহীন। তাই ভক্ত, শ্রোতাদের জন্যই এবারো না বলা কথা-ফোর অ্যালবামটি নিয়ে ফিরছি। বরাবরের চেয়ে এবার আরো চমক থাকছে অ্যালবামে। গানে, গল্পে, ভিডিওতে দারুণ কিছু পাবেন। এবারের অ্যালবামে মোট ১০ টি গান রয়েছে। গানগুলো লিখেছেন কবির বকুল, জাহিদ আকবর, তারেক আনন্দ, খোন্দকার শফিক সহ অনেকে।
ইলিয়াস আরও বলেন আমি খুবই আনন্দিত যে আমার শ্রোতারা আগের গানগুলোর মত এই গানটিকেও খুব সহজে গ্রহণ করেছে।