তারকারা কে কোন আসনের মনোনয়নপত্র কিনলেন?

তারকারা কে কোন আসনের মনোনয়নপত্র কিনলেন?

https://www.bn.bangla.report/content/media_cache/470x264/untitled-2_107.jpg 

আবারও শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নির্বাচন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর। সেই দিনটিকে সামনে রেখে চলছে বিভিন্ন দলের মনোনয়ন বিতরণ। এরই মধ্যে গেল শুক্রবার থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। মনোনয়নপত্র বিতারণ শেষও হয়েছে।

সেখানে দেখা গেছে তারকাদের ভিড়। আওয়ামী লীগের গয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে রীতিমত হিড়িক পড়েছে তারকাদের। তারা নিজ নিজ এলাকার নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র কিনেছেন ধানমন্ডিতে অবস্থিত আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস থেকে।

সেখানে গাজীপুর-৫ আসন থেকে মনোনয়ন কিনেছেন চিত্রনায়ক ফারুক। চিত্রনায়িকা কবরী তার আগের আসন নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে এবার মনোনয়ন চাইছেন ঢাকা-১৭ আসন থেকে। নীলফামারী-২ আসন থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর।

সঙ্গীতশিল্পী মমতাজ মনোনয়নপত্র কিনেছেন মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে। অভিনেত্রী তারানা হালিম তালিকায় আছেন টাঙ্গাইল-৬ এর প্রার্থী হিসেবে। ফেনী-৩ আসন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হতে চান অভিনেত্রী শমী কায়সার। তিনি মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

চিত্রনায়ক শাকিল খান আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান বাগেরহাট-৩ আসনে। ঢাকাই সিনেমার ডেঞ্জারম্যান খ্যাত অভিনেতা ডিপজল মনোনয়নপত্র কিনেছেন ঢাকা-১৪ আসন থেকে।

একই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন অভিনেত্রী শমী কায়সার ও রোকেয়া প্রাচী। তারা মনোনয়নপত্র কিনেছেন ফেনী-৩ আসন থেকে।

নরসিংদী-৫ রায়পুরা থেকে আওয়ামী লীগের হয়ে সংসদ নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র কিনেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী নির্মাতা ড. মাসুদ পথিক। ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর) আসনের জন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র কিনেছেন অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। টাঙ্গাইল-১ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র কিনেছেন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। ঢাকা-১৪ (মিরপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

আছেন ক্রিকেট তারকারাও। ক্রিকেটার মাশরাফি মনোনয়নপত্র কিনেছেন নড়াইল-২ আসনের প্রার্থী হিসেবে। ক্রিকেটার দুর্জয় মানিকগঞ্জ-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়পত্র কিনেছেন। সংসদীয় আসনের নেত্রকোনা-৩ থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এবং যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়।

তবে নির্বাচন করবেন বলে শোনা গেলেও আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র কিনেননি অভিনেত্রী শাবানার স্বামী প্রযোজক শিবলী সাদিক, চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও শাকিব খান।

এদিকে আজ সোমবার (১২ নভেম্বর) থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু করেছেন বিএনপি। সেখান থেকে সিরাজগঞ্জ-১ আসন থেকে মনোনয় চাইছেন কণ্ঠশিল্পী কনক চাঁপা। সিলেট-৬ আসন থেকে বিএনপির মনোয়নয়পত্র কিনেছেন চিত্রনায়ক হেলাল খান।

দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। তিনিও এবার অংশ নেবেন নির্বাচনে। নীলফামারি-৪ আসন থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন তিনি।

বিএনপি থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন কণ্ঠশিল্পী মনির খানও। ঝিনাইদহ-৩ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য বিএনপির মনোনয়নপত্র কিনবেন তিনি।

এছাড়াও হিরো আলম বগুড়া-৬ আসন থেকে সতন্ত্রভাবে নির্বাচন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে। নায়ক সোহেল রানাকে ঢাকা-১৮ আসনে দেখা যেতে পারে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে।

যে কারণে সাংবাদিকদের মোবাইল নিয়ে টানাহেঁচড়া করলেন শাকিব

এফডিসিতে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় বিনোদন সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়েছেন শাকিব খান।বৃহস্পতিবার বিকেলে ‘শাহেন শাহ’ সিনেমার শুটিং সেটে সহকারী পরিচালক সমিতির সদস্যদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় শাকিব খানের। তা ভিডিও করছিলেন সাংবাদিক জিয়াউদ্দীন আলম ও সুদীপ্ত সাঈদ খান। তা দেখে ক্ষিপ্ত হন শাকিব খান। এরপর ওই দুই সাংবাদিকের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার জন্য বললেন তাঁর দেহরক্ষী হারুনকে।

তিনি হারুনকে মোবাইল ফোন ‘চেক’ করে যা ভিডিও করা হয়েছে, তা ডিলিট করতে বলেন। অভিযোগ, এনটিভি অনলাইনের মাজহার বাবু, আমাদের সময়.কমের মুহিব আল হাসান ও নিউজজিটোয়েন্টিফোর.কমের সুদীপ্ত সাইদ খানের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন শাকিব খান। তাদের মোবাইল ফোনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ডিলিট করে দেন।

জানা যায়, শাহেনশাহ ছবিতে প্রধান সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন আলোক হাসান। তিনি সহকারী পরিচালকদের সংগঠন সিনে ডিরেক্টোরিয়াল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সদস্য নন। তাই বিষয়টি নিয়ে শাহেনশাহ ছবির শুটিং সেটে কথা বলতে যান সংগঠনটির সভাপতি এস আই ফারুক।

সেটের পাশে যখন তাঁদের সঙ্গে আলাপ হয়, তখন আরও কয়েকজন সদস্য সেখানে যান। একপর্যায়ে সেখানে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। শাকিব খানসহ শুটিং ইউনিটের আরও কয়েকজন সেখানে এগিয়ে যান। এ সময় সহকারী পরিচালকদের এমন আচরণ দেখে রেগে যান শাকিব খান। পাশে থাকা ওই দুজন সাংবাদিক উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের মুহূর্ত নিজেদের মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় ধারণ করছিলেন।

মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার কারণ হিসেবে শাকিব খান বলেন, ‘কেন কেড়ে নেব না? এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এসব কেন ভিডিও করবে? তাই আমি ধমক দিয়ে বলেছি, এটা ভিডিও করার কী আছে? তারপর আমি ওসব ভিডিও মুছে ফেলতে বলেছি।’

শাকিব খানের মনে করেন, যারা শাহেনশাহ ছবির শুটিং সেটে ছিলেন, তাদের তিনি সংবাদকর্মী হিসেবে নয়, ছোট ভাই হিসেবে দেখেন। সাংবাদিক হিসেবে যদি দেখতেন, তাহলে শুটিং স্পটে ঢুকতেই দিতেন না।

শাকিব খান বললেন, ‘ওরা এসেছে আমার ছোট ভাই হিসেবে। বিভিন্ন পত্রিকা আর অনলাইনের আরো যারা আসে, সবাইকে ছোট ভাই হিসেবে দেখি। এখন ওরা যদি এফডিসির মধ্যে একটা ঘটনা দেখলে ভিডিও করে বাইরে ছড়ায়, তাহলে তো আমি বলব, তোমরা আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সেটে আসবে। এ ধরনের ঘটনা যদি ঘটায়, তাহলে তাদের শুটিং এলাকায় ঢুকতেই দেব না।’

শাকিব খান আরো বলেন, ‘এমনিতেই আমাদের সিনেমার অবস্থা খারাপ। তাদের আরো বলেছি, এগুলো মানুষকে দেখিয়ে তোমরা কী বোঝাতে চাও, সিনেমার অবস্থা খুব খারাপ?’

ইউটিউবে শানের নতুন গান "চক পেন্সিল"

আনন্দের গানে অনেক তারকা কণ্ঠশিল্পীই কণ্ঠ দিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার কণ্ঠ দিলেন 'কন্যারে...' খ্যাত গায়ক শান। ‌'চক পেন্সিল' শিরোনামের এই গানটি গতকাল সন্ধ্যায় প্রকাশ হয়েছে জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে। শানের সুরে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন রেজওয়ান সাজ্জাদ।

গান প্রসঙ্গে শান বলেন, গতানুগতিকের বাইরে একটু বিষয়ভিত্তিক লিরিক খুঁজছিলাম। তারেক আনন্দ ভাইকে বলি ডিফারেন্ট টাইপ কোনো লিরিক আপনার কাছে আছে কিনা। তারপর তিনি ‌'চক পেন্সিল' গানের লিরিকটি দেন। এক ঝলকেই গানের কথা আমার পছন্দ হয়। অনেক সময় নিয়ে গানটি তৈরি করেছি। আশা করছি শ্রোতাদের ভালো লাগবে।

তারেক আনন্দ বলেন, এমন কথার গান ইচ্ছে করলেই বারবার লেখা যায় না। একবারই হয়। ছোটবেলায় দেখেছি, প্রিয় মানুষের নাম বা নামের প্রথম অক্ষর চক পেন্সিলে দরজায় লিখে রাখতে । সেই স্মৃতি থেকেই লেখা ‌'চক পেন্সিল'। সুর, সংগীত, গায়কীর সুন্দর সমন্বয়ের এ গানটি শ্রোতাদের ভালো লাগবে।

হিরো আলমের  বলিউডের ছবির পোষ্টার প্রকাশ

হিরো আলমের বলিউডের ছবির পোষ্টার প্রকাশ


আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম একেক সময় একেক চেহারায় হাজির হচ্ছেন, একেক সময় একেক গল্পের জন্ম দিচ্ছেন। এই তো ক'দিন আগেই জানা গেল তিনি বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। এই ঘটনা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য।
বলা যায় হিরো আলমকে নিয়ে নিত্য এক্সপেরিমেন্ট করেই যাচ্ছেন নির্মাতারাও।
বলিউডের ছবিতে একজন বধির ও মূক চরিত্রের জন্য মুম্বাইয়ের একজন পরিচালক হিরো আলমকেই উপযুক্ত মনে করেছেন। সেই অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে নিয়ে গিয়ে ছবিটিতে চুক্তি করান। তার আগে টারজান, পুলিশ কর্মকর্তা চরিত্রে প্রায় সবখানেই উঠতি নির্মাতারা হিরো আলমকে নিয়ে আসছেন।
http://www.kalerkantho.com/assets/news_images/2018/11/01/163952TTT.jpgএবার দেখা যাবে হিরো আলমকে পেত্নীরূপে।  'টি (tee)' নামের একটি ভৌতিক স্বল্পদৈর্ঘ্যে অভিনয় করেছেন আলম। ভুত বাদ দিয়ে পেত্নী কেন? হিরো আলম জানান এটা পরিচালকের চিন্তা ভাবনা। তিনি যেমনটা মনে করেছেন। হিরো আলম ওরফে আশরাফুল আলম বলেন, এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা। রাতভর শুটিং করা হয়েছে। ভৌতিক একটা বিষয় আনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে।
সম্প্রতি একটি মেডিক্যাল কলেজে 'টি (tee)' নামের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। এটি পরিচালনা করেছেন ইয়াসিন বিন আরিয়ান। শিগগির এটি ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেওয়া হবে।