তারকাদের প্রতিদিনের লাইফ স্টাইল

যৌবনের ১ম উত্তাপ সেই ছাত্রলীগের পদ-পদবী প্রত্যাশা ও বর্জিত বিবেক

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পদ- পদবী পেতে অ-সম প্রতিযোগী বিবেক বির্বজিত। ছাত্রলীগের ২৯ তম সন্মেলনে সভাপতি, সাধারন সম্পাদকের পদ প্রত্যাশী দের দৌড়ে যারা এগিয়ে ছিলেন।(প্রকাশিত মন্তব্য গুলো এখানে উল্লেখ করছি না)।এমন ক’জন কে নিয়ে শুরু হয় অ-সম মন্তব্য প্রতিযোগিতা।  সে দিন এমন অনেক মন্তব্যে সকল অপরাজনীতির অনৈতিক দৌড়ে এগিয়ে রাখা অবুঝ সমর্থক দের অপচেষ্টার ই বুঝি ফসল।

এই ফলানো ফসল পাঠকের জন্য ‘সংবাদ সূত্র’। সমস্ত সংবাদ সূত্র সে দিন বাধা হয়নি। সভাপতি হওয়ার যোগ্যতায় রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারন সম্পাদক গোলাম রাব্বানী কে নির্বাচিত হতে।

এবার ঘোষনা করা হয় গত সোমবার ১৩ তারিখে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের পূর্নাঙ্গ কমিটি। এবার ও উপরোক্ত ঘটনার পুনরাবৃত্তি। নেতৃত্বে প্রতিযোগিতা থাকবে। তাই বলে আমার ঠিকুজীতে কোন গ্রহে ত্রুটি রয়েছে এমন খোঁজ। এ খোঁজে হাজির করা হয় এক জাদুকরের দৈত্য কে। অবুঝ দের দৈত্যের কাছে প্রশ্ন?,বলে দাও আমার সমর্থিত প্রার্থীর সাথে সম প্রতিযোগীরা কি বিবাহিত? অছাত্র? বয়স কত? পরিবারে কেউ কি রাজাকার? এমন কারো সাথে ঘনিষ্ট? নেশা করে? কয়টি মামলা রয়েছে? এ তথ্য গুলো দাও গো দৈত্য।

এমন প্রশ্নে বিস্মিত দৈত্য বলে দিলেন, তোমরা তো তাদের বন্ধু। কাছের বন্ধু, নিকটজন, তোমরাই। তোমাদের তো সব জানা। এখন তোমার মত করে বাতাসে ভাসিয়ে দাও।অ-সম প্রতিযোগী ভাসিয়ে দেয় বিবেক নীতি, আর্দশ। যে পর্যায়ে একজন প্রতিযোগী অথবা তার সমর্থক বিবেক ভাসিয়ে দেয়। তারা হয়ে পড়ে নীতি বিবর্জিত।
এমন নীতি বিবর্জিত যে কেউ কোন সংগঠনের নেতৃত্ব দিতে পারে না।

যারা একটি পদ পাওয়ার জন্য সংগঠনের গোপনীয়তা প্রকাশ্যে তুলে ধরতে এতটুকু বিবেক কে প্রশ্ন করে না। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বৃহৎ ছাত্র সংগঠন। সংগঠনের সাংগঠনিক কর্মপদ্ধতি তে কোন সমস্যা প্রতিয়মান হলে সেটি নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে আলোচনা হতে পারে।শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন, জাতির মুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া, জীবন ও যৌবনের উত্তাপে শুদ্ধ সংগঠন, সোনার বাংলা বিনির্মাণের কর্মী গড়ার পাঠশালা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। জন্মের প্রথম লগ্ন থেকেই ভাষার অধিকার, শিক্ষার অধিকার, বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান, সর্বোপরি স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের ছয় দশকের সবচেয়ে সফল সাহসী সারথি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। আওয়ামীলীগের ভ্রাতৃপ্রতিম এ সংগঠনের ছাত্রলীগের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারনী সাংগঠনিক নেত্রী আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও দেশ রত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছাত্রলীগের সকল পর্যায়ে শেষ আশ্রয় স্হল হিসেবে যিনি মাতৃস্নেহে পরম মমতায় আগলে রেখেছেন। তাই কেন্দ্রীয় কমিটি সংক্রান্ত যে কোন বিষয় অবহিত করা একান্ত প্রয়োজন সর্বাগ্রে।

এ ক্ষেত্রে এটি সংগঠনের শিষ্ঠাচার হিসেবে প্রশংসার দাবি রাখতে বাধ্য।

ছাত্রলীগ আমার যৌবনের প্রথম ভালবাসা,শ্রদ্ধার জায়গা। এখন ও কোন অঞ্চলে যাওয়া হলে আমার প্রানের সংগঠন ছাত্রলীগের একজন কর্মী কে হলে ও খুজে বের করি।আলোচনা করি গৌরবময় ছাত্রলীগের ইতিহাস। যখন বিভিন্ন মাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা গুলো শুনি বা দেখতে পায় হ্দয়ে রক্ত ক্ষরণ হয় আমার মত লাখো কর্মীর।

পদ পদবি ভুলে প্রাণের শ্লোগান,  ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গ বন্ধু’,  শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি, ছাত্রলীগের মুলনীতি এই মুল মন্ত্র কে ধারন করে সম্প্রীতির মিল বন্ধনে এগিয়ে চলুক প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগ

লেখক: সুমন ভট্টাচার্য্য, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ সনাতনী কল্যাণ সংঘ।

আপনার পছন্দ হতে পারে

Comments are closed.