আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ আর নেই

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ আর নেই। শুক্রবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি... রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

জানা যায় , ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন কবি আল মাহমুদ। তাকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তিনি অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল হাইয়ের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। অবস্থা আরও গুরুতর হলে শুক্রবার তাকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ দেয়া হয়। পরে রাত ১১টা ৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

কবি আল মাহমুদের পুরো নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মীর আবদুর রব ও মাতার নাম রওশন আরা মীর। তার দাদা আবদুল ওহাব মোল্লা হবিগঞ্জ জেলায় জমিদার ছিলেন।

 

কবি আল মাহমুদ কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার সাধনা হাই স্কুল এবং পরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড হাই স্কুলে পড়ালেখা করেন। মূলত এই সময় থেকেই তার লেখালেখির শুরু। আল মাহমুদ বেড়ে উঠেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। তিনি মধ্যযুগীয় প্রণয়োপাখ্যান, বৈষ্ণব পদাবলি, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল প্রমুখের সাহিত্য পাঠ করে ঢাকায় আসার পর কাব্য সাধনা শুরু করেন এবং একের পর এক সাফল্য লাভ করেন।

সংবাদপত্রে লেখালেখির সূত্র ধরে ১৯৫৪ সালে মাহমুদ ঢাকা আগেমন করেন। সমকালীন বাংলা সাপ্তাহিক পত্র/পত্রিকার মধ্যে কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী সম্পাদিত ও নাজমুল হক প্রকাশিত সাপ্তাহিক কাফেলায় লেখালেখি শুরু করেন। তিনি পাশাপাশি দৈনিক মিল্লাত পত্রিকায় প্রুফ রিডার হিসেবে সাংবাদিকতা জগতে পদচারণা শুরু করেন। ১৯৫৫ সাল কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী কাফেলার চাকরি ছেড়ে দিলে তিনি সেখানে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন।

আল মাহমুদ ব্যক্তিগত জীবনে সৈয়দা নাদিরা বেগমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির পাঁচ ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে।

কবি আল মাহমুদ একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ সময়ে নানা পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। পুরস্কার ও সম্মাননাসমূহ হলো: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮), জয় বাংলা পুরস্কার (১৯৭২), হুমায়ুন কবীর স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২), জীবনানন্দ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২), কাজী মোতাহার হোসেন সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৬), কবি জসীম উদ্দিন পুরস্কার, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬), একুশে পদক (১৯৮৭), নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক (১৯৯০), ভানুসিংহ সম্মাননা পদক (২০০৪), লালন পুরস্কার (২০১১)।

কবির উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত গ্রন্থ: লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৬৬), মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো (১৯৭৬), আরব্য রজনীর রাজহাঁস, বখতিয়ারের ঘোড়া, অদৃশ্যবাদীদের রান্নাবান্না, Al Mahmud In English, দিনযাপন, দ্বিতীয় ভাঙ্গন, একটি পাখি লেজ ঝোলা, পাখির কাছে ফুলের কাছে, আল মাহমুদের গল্প, গল্পসমগ্র, প্রেমের গল্প, যেভাবে বেড়ে উঠি, কিশোর সমগ্র, কবির আত্নবিশ্বাস, কবিতাসমগ্র, কবিতাসমগ্র-২, পানকৌড়ির রক্ত, সৌরভের কাছে পরাজিত, গন্ধ বণিক, ময়ূরীর মুখ, না কোন শূন্যতা মানি না, নদীর ভেতরের নদী, পাখির কাছে ফুলের কাছে, প্রেম ও ভালোবাসার কবিতা, প্রেম প্রকৃতির দ্রোহ আর প্রার্থনা কবিতা, প্রেমের কবিতা সমগ্র, উপমহাদেশ, বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ, উপন্যাস সমগ্র-১, উপন্যাস সমগ্র-২, উপন্যাস সমগ্র-৩, তোমার গন্ধে ফুল ফুটেছে (২০১৫), ছায়ায় ঢাকা মায়ার পাহাড় (রূপকথা), ত্রিশেরা, উড়াল কাব্য।

বালামের নতুন মিউজিক ভিডিওতে ভিন্ন লুকে সুজানা

বালাম ও সুজানা জাফর বাল্যবন্ধু। হঠাৎ তাদের দেখা হয়ে যায় সাগরপাড়ে। শুরুতে সুজানা চিনতে পারেন না। বালাম তাকে ছোটবেলার একটি ছবি দেখানোর পর অবাক হয়ে যান তিনি। এরপর শুরু হয় গল্প।

‘হঠাৎ’ গানের মিউজিক ভিডিওর শুরুটা এমন। এটি সুর করেছেন ও গেয়েছেন বালাম। এর কথা লিখেছেন সংগীতশিল্পী তাহসান খান। সংগীতায়োজনে অ্যাপিরাস। 

গত বছরের ডিসেম্বরে কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিনে ভিডিওটির শুটিং করেন বালাম ও সুজানা। ভিডিওর শুরুর দিকে সুজানার চুলের ধরনে নতুনত্ব রয়েছে।

একটি দৃশ্যে দেখা যায়, সৈকতে বালামের সঙ্গে ফানুস ওড়াচ্ছেন দুই ভাই প্রতীক হাসান ও প্রীতম হাসান আর সংগীতশিল্পী অদিত রহমান ও গায়িকা আনিকা। অদিতের তত্ত্বাবধানে মিউজিক ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন ভাস্কর জনি ও একে পরাগ।

 

বেশ কয়েক মাস পর নতুন কোনও গান বের করলেন বালাম। ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে ‘দ্য ইন্ডাস্ট্রি’ ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে ‘হঠাৎ’।

              মিউজিক ভিডিও ‘হঠাৎ’--- 

                

আজাদ সুমনের নতুন মিউজিক ভিডিও ’ চলতে চলতে’

 

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী আজাদ সুমন বিশ্ব ভালবাসা দিবস উপলক্ষে নতুন গান নিয়ে শ্রোতাদের সামনে হাজির হচ্ছেন। ভালবাসা দিবস উপলক্ষে নতুন যে গানটি বাঁজারে আসছে তা হল ‘’ চলতে চলতে’’। আব্দুল কাদের মুন্নার কথায় গানটির সুর ও সংগীত করেছেন জনপ্রিয় গীতিকার জে.কে মজলিশ।

আজাদ সুমনের মিউজিক ভিডিও গুলো গানের সাথে সাদৃশ্য রেখে দেশ কিংবা দেশের বাহিরে সুন্দর সব লোকেশন ব্যবহার করে দৃশ্যায়ন করা হয়। পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিশেষত গানের শিল্পায়নে তার মিউজিক ভিডিওগুলোতে দর্শকরা মনোরম দৃশ্য অবলোকন করার সুযোগ পেয়ে থাকে বলে তিনি  দর্শক হৃদয়ে একটি আলাদা স্বাতন্ত্র্য জায়গা করে নিয়েছেন এরই মধ্যে। এবারের গানটি কক্সবাজারের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে চিত্রায়ন করা হয়েছে।

 

‘’ চলতে চলতে’’ গানটিতে ভিডিওগ্রাফার হিসাবে ছিলেন ইবাদ আলী। এই প্রথম শিল্পী আজাদ সুমন নিজেই তার গানে ডিরেকশন দিয়েছেন। গানটিতে মডেল হিসেবে ছিলেন শিল্পী আজাদ সুমন ও সহ শিল্পী হিসেবে ছিলেন রুহি আফরোজ। যা শিল্পীর ইউটিউব চ্যানেলে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারীর পর থেকেই শ্রোতারা দেখতে পাবেন


আজাদ সুমন বলেন ,”আশা করা যাচ্ছে পূর্বের ন্যায় এই গানটিও দর্শক শ্রোতাদের মন জয় করতে সক্ষম হবে। বিশেষ করে তরুণরাই আমার গানের সব থেকে বড় শ্রোতা। তারা আমার গান শুনে বলেই তো নতুন কিছু সৃষ্টি করার অনুপ্রেরনা পাই।”

আজাদ সুমন,সবার সু- স্বাস্থ্য কামনা করে সবাইকে ভালবাসা দিবসের অফুরন্ত শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং সবাইকে তার গান শুনতে অনুরোধ করেছেন

উল্লেখ্যঃ  এছাড়াও কণ্ঠশিল্পী আজাদ সুমনের  "মায়াবিনী" , "তোমায় খুঁজি" , "খাঁচা " , "আজ এই ক্ষনে " , তোমারই ভাবনায়"  , "বুকের পাজরে" সহ বেশ  ভিডিও প্রকাশ পে যা শ্রোতা মনে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি  করে। 

 

হলিউডের ছবিতে ঢাকা শহরের গল্প, শুটিং কেন ভারতে?

হলিউডের ছবিতে ঢাকা শহরের গল্প, শুটিং কেন ভারতে?

https://www.channelionline.com/wp-content/uploads/2019/02/dhakamovie-LEAD-750x430.jpg 
হলিউডের সিনেমায় দেখা যাবে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা কে। সিনেমার নামও ‘ঢাকা’। এটা পুরনো খবর। নতুন খবর হলো, থর খ্যাত অভিনেতা ক্রিস হেমসওয়ার্থ ‘ঢাকা’র শুটিংয়ের ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করে তার শুটিং শেষ হওয়ার খবর জানিয়েছেন!
সিনেমার নাম এবং বিষয়বস্তু ঢাকা কেন্দ্রিক হলেও শুটিং ঢাকায় হয়নি। ভারতের আহমেদাবাদ, মুম্বাই এবং থাইল্যান্ডে হয়েছে ছবির শুটিং। প্রশ্ন উঠছে, ঢাকা শহরের গল্প নিয়ে ছবি অথচ শুটিং হলো ভারতে? এমনটা কেন হলো?
এমন প্রশ্নের সদোত্তর খোঁজার আগে দেখে নেয়া যায় ‘ঢাকা’র শুটিং লোকেশন। যেখানে মাস খানেকের বেশী সময় ধরে শুটিং করছে হলিউডের পুরো টিম।
‘ঢাকা’ চলচ্চিত্রটির বেশকিছু শুটিং এর ছবি ঘুরছে অনলাইনে। এমনকি ছবির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অনেককেও স্থিরচিত্র সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে দেখা গেছে। শুধু তাই নয়, যে সেট নির্মাণ করে ঢাকার শুটিং করেছেন পরিচালক, সে স্পট প্রথমবার কেউ দেখলে অবিশ্বাস করতে পারবেন না যে এটা ঢাকায় নয়!
শুটিংস্পটে সবকিছু বাংলায় লেখা দেখা গেছে। ঢাকার চিরায়ত যানবাহন যেমন রিকশা, ট্রাক এবং সিএনজি দেখা গিয়েছে। শুটিং লোকেশনের পেছনে প্রচুর বাংলা লেখা সাইনবোর্ডও ঝুলতে দেখা গেছে।
কিন্তু এসবতো ঢাকা শহরে এসেও করতে পারতেন তারা। এমন প্রশ্ন অনেকের। কিন্তু যে বিষয়টি সবাই ভাবছেন না সেটা হলো, বিশাল পরিসরে শুটিং আয়োজন করতে ভারতে যে সুবিধা পেয়েছেন তা কি বাংলাদেশে এসে পেতেন হলিউডের এই টিম?

এমন প্রশ্ন রেখেছেন খোদ এক ভক্ত। ঢাকার শুটিং ঢাকায় না করে ভারতে সেট নির্মাণ করে করার কারণ হিসেবে সেই ভক্ত বলছেন,  বাংলাদেশে বিশাল পরিসরে কাজ করতে এখনো কোনো বড় ক্রু তৈরি হয়নি।যা কিনা ভারতীয়দের আছে। তাছাড়া শুটিংয়ের অনুমতি, লোকেশনে ঝামেলা সব মিলিয়ে ভারতেই ঢাকার শুটিংস্পট নির্মাণ করা যৌক্তিক মনে করেছেন।



৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ক্রিস হেমসওয়ার্থ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন ‘ঢাকা’ সিনেমার শুটিংয়ের কিছু ছবি। জানান, নেটফ্লিক্সের জন্য নির্মিত ছবিটির শুটিং শেষ হয়েছে। তবে ক্রিসের শুটিং শেষ হলেও ছবির কাজ পুরোপুরি শেষ হবে মার্চ মাসে।
শোনা যাচ্ছে ছবির কিছু অংশ শুটিং করতে ঢাকায় আসার প্ল্যান করছে পুরো টিম। সব ঠিক থাকলে মার্চের মধ্যেই কোনো এক সময়ে বাংলাদেশে আসবে হলিউডের এই টিম।


বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে নেটফ্লিক্সের প্রজেক্ট ‘ঢাকা’, এমনটাই জানা গেছে। ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’-এর দুই পরিচালক জো রুশো ও অ্যান্থনি রুশো প্রযোজনা করছেন ছবিটি। পরিচালনা করেছেন স্যাম হারগ্রেভ। নভেম্বর থেকে ভারতে শুটিং শুরু হয়ে মূল অংশের শুটিং শেষ হয়েছে।

ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে ‘থর’ খ্যাত তারকা অভিনেতা ক্রিস হেমসওয়ার্থকে। একজন অপহৃত ভারতীয় ছেলেকে ঢাকা থেকে উদ্ধার করবেন তিনি। ছবিতে তার নাম টেইলর রেক। ইনস্টাগ্রামের একটি পোস্টে তিনি জানিয়েছেন যে ছবিতে তিনি একজন প্রাক্তন সামরিক সদস্যের ভূমিকায় থাকছেন।
এই ছবিতে নেটফ্লিক্স নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে চাইলেও শিডিউল ব্যস্ততার কারণে তিনি সময় দিতে পারেননি। তার বদলে অভিনয় করছেন রণদীপ হুদা। এছাড়াও ভারত থেকে আছেন মনোজ বাজপেয়ী। ছবি মুক্তির তারিখ এখনও জানানো হয়নি।

আলোচনায় হিরো আলমের লেখা বই

এবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের জীবনী বিষয়ক গ্রন্থ ‘দৃষ্টিভঙ্গি বদলান আমরা সমাজকে বদলে দেবো।’ হিরো আলমের লেখা বইটি সম্পাদনা করেছেন সৌরভ আলম সাবিদ।

এটি বাজারে এনেছে তরফদার প্রকাশনী। অমর একুশে গ্রন্থমেলার ১৯৬ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে বইটি। আগামী ১১ তারিখ থেকে হিরো আলম নিজেই স্টলে বসে অটোগ্রাফ দেবেন ভক্তদের- এমনটাই জানালেন সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচিত এই তারকা।

আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বলেন, ‘আমার বই বইটি কেউ কিনবে নাকি না কিনবে সেটা বড় কথা না তবে আমি সকলকে অনুরোধ করবো বইটি একবার হলেও পড়া উচিত, না কিনলেও অন্তত খুলে পড়ে দেখবেন। আমাকে নিয়ে সবাই অনেক হাসি ঠাট্টা করেন ট্রল করেন কিন্তু পর্দার ওপারে হিরো আলম কে কয়জন চেনেন?’

তিনি বলেন, ‘আমার জীবনটা কতটুকু কষ্টের মধ্যে পার হয়েছে এবং কতটুকু পরিশ্রমের মাধ্যমে আমি হিরো আলম হয়েছি সেটা শুধু আমি জানি। আমার পর্দার পেছনের ঘটনাগুলো জানলে আজ হয়তো আপনারা আমাকে নিয়ে ট্রল করতেন না, বরং আমাকে উৎসাহ দিতেন।

যাই হোক এখনো সময় আছে আপনারা যদি দৃষ্টিভঙ্গি না বদলান তাহলে আমাদের সমাজ এবং দেশ কখনোই বদলাবে না। আমি হিরো আলম হয়তো মারা যাবো কিন্তু আমার লেখা বইটি থেকে যাবে এবং একদিন না একদিন আমার এই লেখাগুলো আপনাদেরকে কাঁদাবে কথা দিলাম।’

বইটির প্রকাশক ও সম্পাদনাকারী সৌরভ আলম সাবিদ বলেন, হিরো আলমের জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার মতো অনেক বিষয় রয়েছে, যা এই বইয়ে উঠে এসেছে। এটি পুরোপুরি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়, বইয়ের অনেকাংশই উদ্দীপনামূলক। পাঠকের নিকট এটি সমাদৃত হবে।

বইমেলার পাশপাশি বইটি অনলাইন বিপনন প্রতিষ্ঠান রকমারি ডটকমে পাওয়া যাবে।

৪২ হলে মুক্তি পাচ্ছে আরজু-পরীমনির সিনেমা

৪২ হলে মুক্তি পাচ্ছে আরজু-পরীমনির সিনেমা

https://s3-ap-southeast-1.amazonaws.com/images.jagonews24/media/imgAllNew/BG/2018January/porimoni-20180214132155.jpg

ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে মুক্তি পাচ্ছে কায়েস আরজু ও পরীমনি অভিনীত চলচ্চিত্র ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন শামীমুল ইসলাম শামীম আগামীকাল শুক্রবার থেকে সারা দেশে ৪২টি সিনেমা হলে চলবে সিনেমাটি।

নির্মাতা শামীমুল ইসলাম শামীম বলেন, ‘আমার এই ছবির গল্প একেবারেই ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে। যে কারণে আমরা আগামী ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে ছবিটি মুক্তি দিচ্ছি। সবাইকে বলব, আপনারা সিনেমা হলে এসে ছবি দেখুন। তা হলে আমরাও নতুন নতুন সিনেমা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হতে পারব।’

এই সিনেমায় থাকছে বেশ কিছু চমক। অমর নায়ক সালমান শাহ অভিনীত ‘জীবন সংসার’ ছবির জনপ্রিয় গান ‘পৃথিবীতে সুখ বলে যদি কিছু থেকে থাকে’। এই গানটির রিমেক করা হয়েছে। গানটিতে সালমান শাহের বিপরীতে ছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। জাকির হোসেন রাজুর কথা ও সুরে এ গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ও আগুন।


PORI

‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’ ছবিতে এই গানের সঙ্গে ঠোঁট মিলিয়েছেন ঢাকাই ছবির নতুন জুটি চিত্রনায়ক কায়েস আরজু ও চিত্রনায়িকা পরীমনি। নতুন করে এ গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী ইমরান ও পড়শী।

ওয়ান স্টার ইন্টারন্যাশনাল মুভিজের ব্যানারে মোজাম্মেল হক খানের প্রযোজনায় এ ছবির গান থাকছে মোট ছয়টি। ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন আব্দুল্লাহ জহির বাবু। পরী-আরজু ছাড়াও এতে আরও অভিনয় করছেন মিশা সওদাগর, আলীরাজ, রেবেকা প্রমুখ।

বই মেলায় শামসউজজোহার প্রথম উপন্যাস 'নয় নম্বর শান্তিকুঞ্জ'

 

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছে শামসউজজোহার উপন্যাস 'নয় নম্বর শান্তিকুঞ্জ' । বইটি বের হয়েছে শ্রাবণ প্রকাশনী থেকে।প্রকাশক রবীন আহসান। উপন্যাসটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন শিল্পী মাসুক হেলাল। মূল্য ২৫০ টাকা।  স্টল নম্বর ৪১৫-৪১৭, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। পাঠ, আলোচনা ও মতামতের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন লেখক শামসউজজোহার ।

 'শান্তিকুঞ্জ' একটি ছোট্ট দোতলা বাড়ির নাম। রাজধানীর কাছাকাছি কিন্তু গ্রামের মতো খোলামেলা ও নিরিবিলি পরিবেশ এ বাড়ির চারপাশে। মাঝবয়সী একজন কবি একাই বাস করেন বাড়িটিতে। ফেইসবুক আর নিজের ব্লগে প্রেমের কবিতা লিখে তরুণদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় তিনি। সবাই চেনেন 'সূর্য ভাই' বলে। একটি পুরস্কার প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে সবার সামনে আসেন। মিডিয়ায় আসেন। ঘোষণা দেন সত্য ঘটনা অবলম্বনে নতুন করে লেখার। বিপত্তি শুরু হয় সেই থেকে। সামনে আসতে থাকে তাঁর অতীত জীবন। প্রেমের কবিতার ছদ্মবেশে লুকিয়ে ছিল একজন রাজনৈতিক কর্মীর জীবন। সেই আড়াল ছেড়ে বাইরে আসতেই জীবনে দ্বিতীয়বার টার্গেটে পরিণত হন। তাঁকে যারা একদিন আক্রমণ করেও ছেড়ে দিয়েছিল, তারাই আবার সক্রিয় হয়। ঘটনার সময়কাল নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পরের ২৫ বছর।  

উল্লেখ্যঃ  শামসউজজোহার জন্ম ২২ মাঘ ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ, রাজশাহীর পুঠিয়ায়। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর। পেশায় লেখক ও ব্রডকাস্টার। গণশিল্পী ও বর্ণমালা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রেখেছেন নিজেকে। তাঁর প্রকাশিত বই ‘শহরের শেষবাড়ি’ (কবিতা), ‘পায়ে পায়ে রাজপথ’ (প্রবন্ধ), ‘ধুলোকে ধন্যবাদ’ (কবিতা), ‘শ্যামলীর ছবি’ (কথোপকথন), ‘হ্যালো মিস্টার জিরো ওয়ান টু’ (গল্প)। সম্পাদনা করেছেন ‘কবিতা কনসার্ট’ (আবৃত্তি সিরিজ), ‘মতিহার কবিতার’ (আবৃত্তি সংকলন) এবং ‘এইসব দিনরাত’ (সাহিত্য পত্রিকা) , 'বাবার পাঞ্জাবি' (গল্পগ্রন্থ ) ।।এছাড়াও প্রতিষ্ঠা করেছেন সংগঠন বর্ণমালা।

একুশে পদক পাচ্ছেন আজম খান

‘পপ সম্রাট আজম খানকে একুশে পদক দেওয়া হোক’ এই দাবি উঠেছিল অনেক দিন আগে থেকেই। প্রয়াত কণ্ঠশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা আজম খানের ভক্তকুলদের সেই দাবি পূর্ণ হলো। এবার মরণোত্তর একুশে পদক পাচ্ছেন আজম খান। তার গাওয়া ‘বাংলাদেশ’, ‘রেল লাইনের ঐ বস্তিতে’, ‘ওরে সালেকা, ওরে মালেকা’, ‘আলাল ও দুলাল’, ‘অনামিকা’, ‘অভিমানী’, ‘আসি আসি বলে’ এর মতো অসংখ্য গান এখনো হৃদয়ে দোলা দিয়ে যায়।

বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে আজম খান এক অনন্য নাম।  তাঁর পুরো নাম মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান। ব্যান্ড সঙ্গীতের প্রসঙ্গ এলেই যে নামটি সবার আগে উচ্চারিত হয় তিনি আজম খান। তাঁকে বলা হয় ব্যান্ড মিউজিকের গুরু।  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেও রয়েছে এই সুর্য সন্তানের রয়েছে অসামান্য অবদান।  ২০১১ সালের ৫ জুন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান আজম খান। 

সঙ্গীত জগতে অসামান্য অবদানের জন্য এ বছর আজম খানকে একুশে পদক প্রদান করা হয়েছে মরহুম এই সঙ্গীতশিল্পীকে।  আজম খানের জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে - বাংলাদেশ (রেল লাইনের ঐ বস্তিতে), ওরে সালেকা, ওরে মালেকা, আলাল ও দুলাল, অনামিকা, অভিমানী, আসি আসি বলে ইত্যাদি। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকায় সংঘটিত কয়েকটি গেরিলা অভিযানে তিনি অংশ নেন। প্রথম কনসার্ট প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১৯৭২ সালে।

১৯৭১ সালের পর তার ব্যান্ড উচ্চারণ এবং আখন্দ (লাকী আখন্দ ও হ্যাপী আখন্দ) ভ্রাতৃদ্বয় দেশব্যাপী সঙ্গীতের জগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। বন্ধু নিলু আর মনসুরকে গিটারে, সাদেক ড্রামে আর নিজেকে প্রধান ভোকাল করে করলেন অনুষ্ঠান। ১৯৭২ সালে বিটিভিতে সেই অনুষ্ঠানের এতো সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রে ও চার কালেমা সাক্ষী দেবে গান দু'টি সরাসরি প্রচার হলো। ব্যাপক প্রশংসা আর তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দিলো এ দু'টো গান। দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়ে গেলো তাদের দল।

 ১৯৭৪-১৯৭৫ সালের দিকে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে বাংলাদেশ (রেললাইনের ঐ বস্তিতে) শিরোনামের গান গেয়ে হৈ-চৈ ফেলে দেন। তার পাড়ার বন্ধু ছিলেন ফিরোজ সাঁই। পরবর্তীকালে তার মাধ্যমে পরিচিত হন ফকির আলমগীর, ফেরদৌস ওয়াহিদ, পিলু মমতাজের সাথে। এক সাথে বেশ কয়েকটা জনপ্রিয় গান করেন তারা। এরই মধ্যে আরেক বন্ধু ইশতিয়াকের পরামর্শে সৃষ্টি করেন একটি এসিড-রক ঘরানার গান জীবনে কিছু পাবোনা এ হে হে! তিনি দাবি করেন এটি বাংলা গানের ইতিহাসে- প্রথম হার্ডরক।

না ফেরার দেশে চিত্রনায়ক মান্নার মা

না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্নার মা হাসিনা ইসলাম। রবিবার দুপরে টাঙ্গাইলে জেলায় তিনি নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন মান্নার স্ত্রী শেলি মান্না। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭৫ বয়স।

শেলি মান্না বলেন, ‘গতকাল রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে আমার শাশুড়িকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর আজ দুপুরের দিকে তার মৃত্যুর খবর আসে।’

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪৪ বছর বয়সে নায়ক মান্না মৃত্যুবরণ করেন। আর এই নায়কের মৃত্যুর প্রায় ১১ বছর পর তার মা মারা গেলেন।

শাকিব-বুবলীর নতুন ছবি ‘পাসওয়ার্ড’

চিত্রনায়িকা বুবলী শাকিব খানের সঙ্গে নতুন ছবির কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি। ছবিটি পরিচালনা করবেন জনপ্রিয় নির্মাতা মালেক আফসারী। তিনি গতকাল বলেন, আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে কমলাপুরে নতুন ছবির কাজ শুরু করতে যাচ্ছি।

ছবির নাম রাখা হয়েছে ‘পাসওয়ার্ড’। গল্পের সঙ্গে এই নামটি একদম পারফেক্ট। সব ঠিক থাকলে এই নামটিই চূড়ান্ত। ছবিতে শাকিব খান ও বুবলীকে দর্শক ভিন্ন দুটি লুকে দেখতে পাবেন। এছাড়া অভিনেতা সম্রাটসহ আরো কয়েকজন অভিনয়শিল্পী সামনে চূড়ান্ত করা হবে। ছবিটি প্রযোজনা করবেন শাকিব খান ও ইকবাল। আশা করি, ছবিটি দর্শক পছন্দ করবেন। 

এদিকে শাকিব খান আগেই জানিয়েছেন, তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে ফিল্মস থেকে নতুন এ ছবির বাইরে বরেণ্য নির্মাতা কাজী হায়াত পরিচালিত ‘বীর’ ছবির কাজও সামনে শুরু হবে। এসকে ফিল্মস থেকে আরো নতুন কিছু চমক থাকবে বলেও জানান তিনি। বুবলী নতুন ছবি নিয়ে জানান, মালেক আফসারী গুণী নির্মাতা। তার সঙ্গে প্রথমবার কাজ হবে। এটা আমার জন্য সত্যিই সৌভাগ্যের বিষয়। আশা করি, দর্শক ছবিটি পছন্দ করবেন।

বইমেলায় আবুল হোসেন আসাদের "আরবের পথে পথে"


বরাবরের মতো এবারো ভিন্ন ধর্মী একটি বই নিয়ে হাজির হলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপক আবুল হোসেন আসাদ। এবারের অমর  একুশে বই মেলা উপলক্ষে প্রকাশ হলো তার লেখা নতুন বই "আরবের পথে পথে" । "আরবের পথে পথে" শিরোনামে বইটি তিনি কয়েকটি ভাগে ভাগ করেছেন যাতে পাঠকদের পড়তে এবং বিষয় গুলির  সম্পর্কে জানতে সুবিধা হয়

বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ,জাজিরাতুল আরব ও আরবের বিভিন্ন স্থানের নাম করণ,জনপ্রিয়তার কারণ এবং হজ্জ, ওমরাহর নিয়মকানুন সুন্দর ভাবে পাঠকদের সামনে উপস্থাপন করেন। "আরবের পথে পথে" মূলত একটি ভ্রমণ কাহিনী বই ,বইটি পড়তে পড়তে পাঠক সত্যিই হারিয়ে যাবেন আরবের মরু ভূমিতে,আবার কখন মক্কা ও মদিনার বিভিন্ন জায়গায়। সবকিছুই একমলাটে নিয়ে বইটি লিখেছেন সাইক্লিস্ট,সাংবাদিক ও লেখক  আবুল হোসেন আসাদ । বই মেলায় স্টল নম্বর ৫৯৮,বইটি আদিত্য অনিক প্রকাশনী থেকে এবারের বইমেলায় এসেছে।

বইটি নিয়ে কথা হয় লেখক আবুল হোসেন আসাদের  সঙ্গে।  তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, পরিচিত বন্ধু ও কাছের মানুষদের থেকে ভালোই সাড়া পাচ্ছি। বাংলাদেশে এই ধরণের বই খুব কমই প্রকাশ পেয়েছে বলে আমার মনে হয়।  আশা করছি বইটি পড়ে পাঠকদের ভালো লাগবে এবং উপকৃত  হবেন

বইমেলার পাশাপাশি পাঠকগণ অনলাইনেও বইটি কিনতে পারবেন।  অনলাইনে কিনতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে 01729094216

 উল্লেখ্যঃ  এছাড়াও লেখক  আবুল হোসেন আসাদের প্রকাশিত  বই সমূহ "কাননে কান্না" ,  "চাকায় চাকায় চক্কর" ও " "মেঘে ঢাকা আকাশ" যা পাঠক মহলে বেশ আলোড়ন সৃস্টি করে। 

ইমরানের নতুন গানের মডেল সাফা কবির

ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে দেখা যাবে গায়ক ইমরান ও অভিনেত্রী সাফা কবির   প্রেমের জুটি হিসেবে   একটি নতুন গানের মিউজিক ভিডিও।আর সেখানেই জানা যাবে কেন ইমরানের কাছে অন্যরকম সাফা। গানটির শিরোনাম ‌‘আমার কাছে তুমি অন্যরকম’। এটি গাইবেন ইমরান। আর গানের ভিডিওতে মডেল হয়েছেন সাফা কবির।


ঠিক এক বছর আগে প্রকাশ পেয়েছিল সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও অভিনেত্রী সাফা কবিরের মিউজিক ভিডিও ‘এমন একটা তুমি চাই’। দেশের অন্যতম প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিএমভি’র ব্যানারে প্রকাশিত গল্পনির্ভর এই ভিডিও ইউটিউব ভিউ হয়েছে ২ কোটি ২০ লাখেরও বেশি!
গত বছরের হিট গানের তালিকায় গানটির অবস্থান শুরুর দিকে। এটি লিখেছিলেন মেহেদী হাসান লিমন, সুর করেছেন নাজির মাহমুদ, গেয়েছেন ইমরান, মডেল হয়েছেন সাফা কবির, ভিডিও নির্মাণ করেছেন ভিকি জাহেদ।

ঠিক একই টিম নিয়ে আবারও নির্মিত হলো ‘আমার কাছে তুমি অন্যরকম’ গানের ভিডিও। এটি সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাবে আসছে ৫ ফেব্রুয়ারি।এরমধ্যে গানের রেকর্ডিং আর শুটিং শেষ। চলছে সম্পাদনার কাজ। মিউজিক ভিডিওটির প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু বলেন, ‘আমরা কাজের মানের বিষয়ে বরাবরই সচেতন থাকি। চাইলে একই সেটআপে দ্রুত সময়ে এমন আরও কিছু গান উপহার দিতে পারতাম। কিন্তু সেটা করিনি। বরং পুরো টিমের সঙ্গে প্ল্যান করেছি।

প্রায় সাত মাস সময় নিয়ে একটাই প্রজেক্ট শেষ করেছি। চেয়েছি ঠিক এক বছরের মাথায় একই টিমের মাধ্যমে আরেকটি অসাধারণ কাজ শ্রোতা-দর্শকদের উপহার দিতে। আশা করছি এবারও ভালো কিছুই অপেক্ষা করছে সবার জন্য।’